সাভারে বিএনপির নির্বাচনী অফিসে হামলার অভিযোগ

সাভারের আশুলিয়ায় ব্যানার নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত তিন জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আলম পারভেজ বুলেট ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।  রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আশুলিয়ার শ্রীপুরের হাসান কলোনি এলাকার বিএনপির সমর্থক কিবরিয়ার তত্ত্বাবধানে চলা বিএনপির নির্বাচনী অফিসে এই হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানায়, ঢাকা-১৯ আসনের বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবুর ব্যানার নিয়ে তারই সমর্থক কিবরিয়া ও আলম পারভেজ বুলেটের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে বুলেট তার সহযোগীদের নিয়ে ওই নির্বাচনী অফিস ও একটি চায়ের দোকানে হামলা চালায়। এ সময় তাদের বাধা দিতে গেলে সাহেদাসহ তিন জনকে বেধড়ক মারধর করে।  এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় তৌহিদ নামের একজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আসছিল। অভিযুক্তরা পলাতক থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রুবেল হাওলাদার কালবেলাকে বলেন, বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে ব্

সাভারে বিএনপির নির্বাচনী অফিসে হামলার অভিযোগ

সাভারের আশুলিয়ায় ব্যানার নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত তিন জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

আলম পারভেজ বুলেট ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। 

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আশুলিয়ার শ্রীপুরের হাসান কলোনি এলাকার বিএনপির সমর্থক কিবরিয়ার তত্ত্বাবধানে চলা বিএনপির নির্বাচনী অফিসে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, ঢাকা-১৯ আসনের বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবুর ব্যানার নিয়ে তারই সমর্থক কিবরিয়া ও আলম পারভেজ বুলেটের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে বুলেট তার সহযোগীদের নিয়ে ওই নির্বাচনী অফিস ও একটি চায়ের দোকানে হামলা চালায়। এ সময় তাদের বাধা দিতে গেলে সাহেদাসহ তিন জনকে বেধড়ক মারধর করে। 

এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় তৌহিদ নামের একজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আসছিল।

অভিযুক্তরা পলাতক থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রুবেল হাওলাদার কালবেলাকে বলেন, বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে ব্যানার নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটলেও কোনো লুটপাট এবং অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow