সালথায় পাটের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ক্ষতি প্রায় ৩০ লাখ টাকা

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পাটের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ৩৫০ মণ পাট, ৩০ মণ মসুর ডালসহ তিনটি দোকান পুড়ে গেছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে উপজেলা সদর সালথা বাজারের পুরুরা সড়কের পাশে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পাট ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম জানান, তার গুদামের টিনশেডের ওপর দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে বিদ্যুতের তার টানানো ছিল। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ওই তার ছিঁড়ে টিনের চালের ওপর পড়লে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন পাশের নজরুল ও মাসুদের আরও দুটি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে গুদামে থাকা পাট ও মসুর ডাল সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, সালথা বাজারের বিভিন্ন স্থানে দোকান ও মার্কেটের ওপর দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিদ্যুতের লাইন টানানো হয়েছে, যা প্রায়ই দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তবে সালথা বিদ্যুৎ অফিসের এজিএম মো. রেজাউল করিম বলেন, আগুনের সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত ন

সালথায় পাটের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ক্ষতি প্রায় ৩০ লাখ টাকা

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পাটের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ৩৫০ মণ পাট, ৩০ মণ মসুর ডালসহ তিনটি দোকান পুড়ে গেছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে উপজেলা সদর সালথা বাজারের পুরুরা সড়কের পাশে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

পাট ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম জানান, তার গুদামের টিনশেডের ওপর দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে বিদ্যুতের তার টানানো ছিল। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ওই তার ছিঁড়ে টিনের চালের ওপর পড়লে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন পাশের নজরুল ও মাসুদের আরও দুটি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে গুদামে থাকা পাট ও মসুর ডাল সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, সালথা বাজারের বিভিন্ন স্থানে দোকান ও মার্কেটের ওপর দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিদ্যুতের লাইন টানানো হয়েছে, যা প্রায়ই দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তবে সালথা বিদ্যুৎ অফিসের এজিএম মো. রেজাউল করিম বলেন, আগুনের সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। তদন্ত ছাড়া দায় নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সালথা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সাব-অফিসার মো. আব্দুল জলিল জানান, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. দবির উদ্দীন বলেন, বৈদ্যুতিক লাইনের ত্রুটি থাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে, সে জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা প্রশাসন সবসময় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow