সিদ্ধিরগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা কামরুজ্জামানকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকার চৌরঙ্গী ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক। গ্রেপ্তারকৃত কামরুজ্জামান সোনারগাঁও উপজেলার মুসারচর গ্রামের মৃত আব্দুল হাসিমের ছেলে। তিনি জামপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজ এলাকা সোনারগাঁ ছেড়ে রাজধানী ঢাকার ডেমরার শান্তিরবাগ (মসজিদ গলি, সামসুল হক খান স্কুলের পাশে) এলাকার আল আকসা টাওয়ারের অষ্টম তলার একটি ফ্ল্যাটে আত্মগোপনে ছিলেন। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, গ্রেপ্তারকৃত কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ ও সোনারগাঁও থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংশ্লিষ্ট একাধিক মামলা
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা কামরুজ্জামানকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকার চৌরঙ্গী ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক।
গ্রেপ্তারকৃত কামরুজ্জামান সোনারগাঁও উপজেলার মুসারচর গ্রামের মৃত আব্দুল হাসিমের ছেলে। তিনি জামপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজ এলাকা সোনারগাঁ ছেড়ে রাজধানী ঢাকার ডেমরার শান্তিরবাগ (মসজিদ গলি, সামসুল হক খান স্কুলের পাশে) এলাকার আল আকসা টাওয়ারের অষ্টম তলার একটি ফ্ল্যাটে আত্মগোপনে ছিলেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, গ্রেপ্তারকৃত কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ ও সোনারগাঁও থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংশ্লিষ্ট একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
What's Your Reaction?