সিরাজগঞ্জে ইমাম নিয়োগ নিয়ে বিবাদ, মসজিদে তালা

সিরাজগঞ্জ সদরে ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিতদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে মসজিদে তালা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ অবস্থায় মুসল্লিরা এক ওয়াক্ত নামাজ মসজিদের বাইরে পড়ার পর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা খুলে দিয়েছে পুলিশ।রবিবার উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের পেচিবাড়ি জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়রা জানায়, রবিবার ভোরে ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে মসজিদের প্রধান ফটকে তালা লাগানো দেখতে পান মুসল্লিরা। পরে তারা বাধ্য হয়ে মসজিদের বাইরেই নামাজ পড়েন। দুপুরে সদর থানা পুলিশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও মসজিদ কমিটির উপস্থিতিতে তালা ভেঙে মসজিদ খুলে দেওয়া হয়।বাগবাটি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোকাদ্দেস আলী বলেন, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর জামায়াতের লোকজন এককভাবে মসজিদের কমিটি করে এবং জামায়াত সমর্থিত একজনকে ইমাম হিসেবে নিয়োগ করে। ওই ইমামের কিরাত অনেকেরই পছন্দ না। তাই ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের পর ওই ইমামকে বদলানোর জন্য চাপ দেয় গ্রামের লোকজন। এরপর ওয়াক্তের নামাজ ওই ইমাম এবং তারাবির নামাজ অন্য ইমাম দিয়ে পড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি নিয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি আবুল কালাম মাস্টারকে আলোচনা করার জন্য বলা হলে

সিরাজগঞ্জে ইমাম নিয়োগ নিয়ে বিবাদ, মসজিদে তালা

সিরাজগঞ্জ সদরে ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিতদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে মসজিদে তালা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ অবস্থায় মুসল্লিরা এক ওয়াক্ত নামাজ মসজিদের বাইরে পড়ার পর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা খুলে দিয়েছে পুলিশ।

রবিবার উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের পেচিবাড়ি জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, রবিবার ভোরে ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে মসজিদের প্রধান ফটকে তালা লাগানো দেখতে পান মুসল্লিরা। পরে তারা বাধ্য হয়ে মসজিদের বাইরেই নামাজ পড়েন। দুপুরে সদর থানা পুলিশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও মসজিদ কমিটির উপস্থিতিতে তালা ভেঙে মসজিদ খুলে দেওয়া হয়।

বাগবাটি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোকাদ্দেস আলী বলেন, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর জামায়াতের লোকজন এককভাবে মসজিদের কমিটি করে এবং জামায়াত সমর্থিত একজনকে ইমাম হিসেবে নিয়োগ করে। ওই ইমামের কিরাত অনেকেরই পছন্দ না। তাই ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের পর ওই ইমামকে বদলানোর জন্য চাপ দেয় গ্রামের লোকজন। এরপর ওয়াক্তের নামাজ ওই ইমাম এবং তারাবির নামাজ অন্য ইমাম দিয়ে পড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি নিয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি আবুল কালাম মাস্টারকে আলোচনা করার জন্য বলা হলেও সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম রাজি হননি। এ নিয়ে এলাকায় মারামারিও হয়েছে।

মোকাদ্দেস আলী আরো বলেন, শনিবার রাতে গ্রামের লোকজনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমরা অন্য একজন ইমামের ইমামতিতে মাগরিব ও এশার নামাজ পড়েছি। রবিবার ভোরে ফজরের নামাজ পড়তে এসে দেখি জামায়াতের লোকজন মসজিদে তালা দিয়েছে।

মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা জামায়াতের সমর্থক। মসজিদে কে তালা দিয়েছে তা বলতে পারব না। বিএনপির লোকজনের অপছন্দের কারণে ইমাম আব্দুল হাইকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, ভোরে ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে মুসল্লিরা মসজিদে তালা লাগানো দেখতে পান। পরে তারা ফজরের নামাজ মসজিদের বাইরে পড়েন। খবর পেয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও মসজিদ কমিটির লোকজনের সহযোগিতায় মসজিদের তালা খুলে নামাজ পড়ার ব্যবস্থা করা হয়। এ বিষয়ে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow