সিরাজগঞ্জে চালু হচ্ছে ট্রাক চালকদের সেই বিশ্রামাগার

ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পণ্যবাহী চালকদের ক্লান্ত ও নিদ্রাহীন পরিশ্রম দূর করতে সিরাজগঞ্জে ৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আধুনিক বিশ্রামাগারটি অবশেষে চালু হতে যাচ্ছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ইমরান ফারহান সুমেল জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, পণ্যবাহী গাড়ি চালকদের জন্য পার্কিং সুবিধা সম্বলিত বিশ্রামাগারটি এক বছরের মেয়াদে ইজারা দিতে এরইমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। ইজারা কোটেশন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৬ এপ্রিল বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এর আগে চলতি বছরের ২০ মার্চ ‘৫৬ কোটির ট্রাক চালকদের আধুনিক বিশ্রামাগার এখন গরুর খোঁয়াড়’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে জাগো নিউজ। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের সিরাজগঞ্জের পাঁচলিয়ায় প্রায় ১৩ দশমিক ৫৬ একর জায়গায় নির্মাণ করা হয় ৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক বিশ্রামাগার। কিন্তু নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার তিন বছর পেরিয়ে গেলেও অদৃশ্য কারণে আজও চালু হয়নি এই বিশাল স্থাপনা। ফলে মহাসড়কের পাশেই অনিরাপদ অবস্থায় বিশ্রাম নিতে হচ্ছে চালকদের। আধুনিক কমপ্লেক্সটি এখন স্থানীয়দের গরু-ছাগল রাখার স্থানে পরিণত হয়েছে। আরও পড়ুন:

সিরাজগঞ্জে চালু হচ্ছে ট্রাক চালকদের সেই বিশ্রামাগার

ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পণ্যবাহী চালকদের ক্লান্ত ও নিদ্রাহীন পরিশ্রম দূর করতে সিরাজগঞ্জে ৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আধুনিক বিশ্রামাগারটি অবশেষে চালু হতে যাচ্ছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ইমরান ফারহান সুমেল জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, পণ্যবাহী গাড়ি চালকদের জন্য পার্কিং সুবিধা সম্বলিত বিশ্রামাগারটি এক বছরের মেয়াদে ইজারা দিতে এরইমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। ইজারা কোটেশন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৬ এপ্রিল বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

এর আগে চলতি বছরের ২০ মার্চ ‘৫৬ কোটির ট্রাক চালকদের আধুনিক বিশ্রামাগার এখন গরুর খোঁয়াড়’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে জাগো নিউজ।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের সিরাজগঞ্জের পাঁচলিয়ায় প্রায় ১৩ দশমিক ৫৬ একর জায়গায় নির্মাণ করা হয় ৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক বিশ্রামাগার। কিন্তু নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার তিন বছর পেরিয়ে গেলেও অদৃশ্য কারণে আজও চালু হয়নি এই বিশাল স্থাপনা। ফলে মহাসড়কের পাশেই অনিরাপদ অবস্থায় বিশ্রাম নিতে হচ্ছে চালকদের। আধুনিক কমপ্লেক্সটি এখন স্থানীয়দের গরু-ছাগল রাখার স্থানে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
৫৬ কোটির ট্রাক চালকদের আধুনিক বিশ্রামাগার এখন ‘গরুর খোঁয়াড়’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ২০১৯ সালে দেশের চার মহাসড়কে চারটি বিশ্রামাগার নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ২১ মে থেকে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের সিরাজগঞ্জের পাঁচলিয়ায় প্রায় ১৩ দশমিক ৫৬ একর জায়গায় নির্মাণকাজ শুরু হয়। ওই বছরের ১৫ অক্টোবর সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

শুরুতে প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয় ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত। যার ব্যয় ছিল ৪২ কোটি ৮০ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। পরে আরও ১৩ কোটি টাকা ব্যয় বাড়িয়ে ২০২৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়। কিন্তু শুরুতে নকশা অনুযায়ী বিশ্রামাগারটি দোতলা করার কথা থাকলেও প্রকল্পের শেষ সময়ে আরও দুই তলা বাড়িয়ে চারতলা করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। তবে কাজ শুরু করতে বিলম্ব করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

সওজ বিভাগ জানায়, এটি চালু হলে পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ইজারাদার ও তার নিরাপত্তাকর্মীরা বাড়তি দুই তলা ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন। নির্মিত এ বিশ্রামাগারে পণ্যবাহী চালক ও সহকারীরা নির্ধারিত সেবামূল্য পরিশোধ করে সেবা নিতে পারবেন। সেবাগুলোর মধ্যে রয়েছে ১০০ ট্রাক পার্কিং, দ্বিতল শয়নকক্ষে চালক ও সহকারীর রাতযাপন, গাড়ি পার্কিং, বিনোদন পয়েন্ট, ক্যানটিন, গোসলখানা, নামাজের জায়গা, প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা কক্ষ, গাড়ি মেরামতের ওয়ার্কশপ, ওয়াশজোন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎব্যবস্থা, আধুনিক স্যানিটেশন ব্যবস্থা, সবুজায়ন ও নিরাপত্তাপ্রাচীরের মধ্যে সীমিত আকারে খেলার সু-ব্যবস্থা।

এম এ মালেক/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow