সিরিয়ার একমাত্র নারী মন্ত্রী হিন্দ কাবাওয়াত
সিরিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের সমাজকল্যাণ ও শ্রমবিষয়ক মন্ত্রী হিন্দ কাবাওয়াত জানিয়েছেন, তিনি মন্ত্রিসভায় কেবল নারী হিসেবে উপস্থিতি দেখাতে আসেননি, বরং দেশ বদলানোর দায়িত্ব নিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সরকারের একমাত্র নারী সদস্য তিনি। যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ায় দরিদ্র নারী, এতিম, বিধবা এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারকে সহায়তা করাই তার প্রধান কাজ। দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের কারণে সিরিয়ায় লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। অনেকের ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং কাজ হারিয়েছে। সাম্প্রতিক সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় নতুন করে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব সমস্যার সমাধানে কাজ করছেন কাবাওয়াত। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রূপান্তরের সময় কিছু ভুল হতে পারে। সরকার এসব ভুল স্বীকার করছে এবং অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হিন্দ কাবাওয়াত জানান, তিনি আগে একজন সিরীয় নাগরিক, পরে নারী বা সংখ্যালঘু। নিজেকে আলাদা পরিচয়ে দেখলে দায়িত্বের বৈধতা নষ্ট হয়। তিনি বলেন, দীর্ঘ ৫০ বছরের স্বৈরশাসনের পর সরকার ও জনগণের মধ্যে বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা সহজ নয়। তাই সংলাপ এবং পারস্পরিক আস্থার ওপর তিনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। ন
সিরিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের সমাজকল্যাণ ও শ্রমবিষয়ক মন্ত্রী হিন্দ কাবাওয়াত জানিয়েছেন, তিনি মন্ত্রিসভায় কেবল নারী হিসেবে উপস্থিতি দেখাতে আসেননি, বরং দেশ বদলানোর দায়িত্ব নিয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সরকারের একমাত্র নারী সদস্য তিনি। যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ায় দরিদ্র নারী, এতিম, বিধবা এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারকে সহায়তা করাই তার প্রধান কাজ।
দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের কারণে সিরিয়ায় লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। অনেকের ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং কাজ হারিয়েছে। সাম্প্রতিক সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় নতুন করে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব সমস্যার সমাধানে কাজ করছেন কাবাওয়াত।
বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রূপান্তরের সময় কিছু ভুল হতে পারে। সরকার এসব ভুল স্বীকার করছে এবং অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
হিন্দ কাবাওয়াত জানান, তিনি আগে একজন সিরীয় নাগরিক, পরে নারী বা সংখ্যালঘু। নিজেকে আলাদা পরিচয়ে দেখলে দায়িত্বের বৈধতা নষ্ট হয়।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ৫০ বছরের স্বৈরশাসনের পর সরকার ও জনগণের মধ্যে বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা সহজ নয়। তাই সংলাপ এবং পারস্পরিক আস্থার ওপর তিনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। নতুন অন্তর্বর্তী পার্লামেন্টে নারীদের সংখ্যা খুবই কম। তিনি মনে করেন, ভবিষ্যতে এই অবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন।
দেশ পুনর্গঠন প্রসঙ্গে কাবাওয়াত বলেন, সিরিয়া এখন প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি দেশ। নতুন করে রাষ্ট্র গড়তে আইন ও কাঠামো তৈরি করতে সময় লাগবে। তবে কাজ থেমে থাকলে চলবে না।
তিনি বলেন, বহু কষ্ট ও কান্নার পর এখন আবার সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে। সবাইকে নতুন করে কাজ শুরু করতে হবে।
What's Your Reaction?