সুনামগঞ্জের হাসপাতালে বেড়েছে শিশু রোগীর সংখ্যা

সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে একদিনে সর্বোচ্চ ৮০২ জন রোগী ভর্তি হয়ে অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। একদিনে এত রোগী ভর্তি হওয়ায় সেই চাপ সামাল দিতে হাসপাতালটির চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। ভর্তি হওয়া রোগীর মধ্যে তুলনামূলক শিশু রোগীর সংখ্যা বেশি। সদর হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার (৪ জুলাই) হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট ৮০২ জন রোগীর মধ্যে ২৪৪ জনই শিশু। এছাড়া সন্দেহজনক হাম রোগী ১০২ জন, মহিলা ওয়ার্ডে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ১৬৬ জন, পুরুষ ওয়ার্ডে ৯৩ জন এবং গাইনি ওয়ার্ডে ৪৪ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। বাকি রোগীরা বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে হাসপাতালের চিকিৎসকদের মতে, বর্ষা মৌসুমে আবহাওয়ার পরিবর্তন, আর্দ্রতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সংক্রামক রোগের বিস্তারের কারণে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের রোগ, জ্বর, সর্দি, কাশি এবং হামের উপসর্গ বাড়ছে। এতে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে একদিনে এত রোগী কখনও ভর্তি হয়নি। শনিবার শ্বাসকষ্ট ও

সুনামগঞ্জের হাসপাতালে বেড়েছে শিশু রোগীর সংখ্যা

সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে একদিনে সর্বোচ্চ ৮০২ জন রোগী ভর্তি হয়ে অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। একদিনে এত রোগী ভর্তি হওয়ায় সেই চাপ সামাল দিতে হাসপাতালটির চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। ভর্তি হওয়া রোগীর মধ্যে তুলনামূলক শিশু রোগীর সংখ্যা বেশি।

সদর হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার (৪ জুলাই) হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট ৮০২ জন রোগীর মধ্যে ২৪৪ জনই শিশু। এছাড়া সন্দেহজনক হাম রোগী ১০২ জন, মহিলা ওয়ার্ডে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ১৬৬ জন, পুরুষ ওয়ার্ডে ৯৩ জন এবং গাইনি ওয়ার্ডে ৪৪ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। বাকি রোগীরা বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিয়েছেন।

সুনামগঞ্জের হাসপাতালে বেড়েছে শিশু রোগীর সংখ্যা

তবে হাসপাতালের চিকিৎসকদের মতে, বর্ষা মৌসুমে আবহাওয়ার পরিবর্তন, আর্দ্রতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সংক্রামক রোগের বিস্তারের কারণে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের রোগ, জ্বর, সর্দি, কাশি এবং হামের উপসর্গ বাড়ছে। এতে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে একদিনে এত রোগী কখনও ভর্তি হয়নি। শনিবার শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য ছিল। যেহেতু হাসপাতালে জনবল সংকট, তাই সেবা দিতে হিমশিম খেতে হয়েছে।’

সুনামগঞ্জের হাসপাতালে বেড়েছে শিশু রোগীর সংখ্যা

তিনি আরও বলেন, ‘রোববার রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমেছে। বিকেল পর্যন্ত হাসপাতালে মোট ৫৯৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে শিশু রোগী ১৬০ জন এবং সন্দেহজনক হাম রোগী ৭০ জন।’

লিপসন আহমেদ/কেজে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow