সুপার কম্পিউটারে যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলেছে চীন
বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটারের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করেছে চীন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অর্জন এআই খাতে চীনের প্রকৃত অবস্থানের চেয়ে বরং নিজস্ব কম্পিউটিং প্রযুক্তিতে দেশটির স্বনির্ভরতার অগ্রগতিই বেশি তুলে ধরে। চীনের শেনঝেনে অবস্থিত জাতীয় সুপার কম্পিউটিং সেন্টারের লাইনশাইন সিস্টেম দেশীয়ভাবে তৈরি চিপ ব্যবহার করে বিশ্বের শীর্ষ সুপার কম্পিউটারের দ্বিবার্ষিক তালিকা শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে। এমন সময়ে এই র্যাংকিং প্রকাশিত হলো, যখন উন্নত কম্পিউটিং প্রযুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রতিযোগিতা তীব্র হচ্ছে। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন, যার লক্ষ্য উদীয়মান কোয়ান্টাম কম্পিউটিং খাতে যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের চেয়ে এগিয়ে রাখা। ২০২৬ সালের জুন সংস্করণের টপ-৫০০ তালিকায় লাইনশাইন যুক্তরাষ্ট্রের এল ক্যাপিটান সুপারকম্পিউটারকে পেছনে ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি-তে থাকা এই সুপারকম্পিউটারটি দেশটির পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নের কাজে ব্যবহৃত হয়। তবে প্রযুক্তি ও নীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা জানি
বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটারের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করেছে চীন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অর্জন এআই খাতে চীনের প্রকৃত অবস্থানের চেয়ে বরং নিজস্ব কম্পিউটিং প্রযুক্তিতে দেশটির স্বনির্ভরতার অগ্রগতিই বেশি তুলে ধরে।
চীনের শেনঝেনে অবস্থিত জাতীয় সুপার কম্পিউটিং সেন্টারের লাইনশাইন সিস্টেম দেশীয়ভাবে তৈরি চিপ ব্যবহার করে বিশ্বের শীর্ষ সুপার কম্পিউটারের দ্বিবার্ষিক তালিকা শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে।
এমন সময়ে এই র্যাংকিং প্রকাশিত হলো, যখন উন্নত কম্পিউটিং প্রযুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রতিযোগিতা তীব্র হচ্ছে। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন, যার লক্ষ্য উদীয়মান কোয়ান্টাম কম্পিউটিং খাতে যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের চেয়ে এগিয়ে রাখা।
২০২৬ সালের জুন সংস্করণের টপ-৫০০ তালিকায় লাইনশাইন যুক্তরাষ্ট্রের এল ক্যাপিটান সুপারকম্পিউটারকে পেছনে ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি-তে থাকা এই সুপারকম্পিউটারটি দেশটির পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নের কাজে ব্যবহৃত হয়।
তবে প্রযুক্তি ও নীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এর অর্থ এই নয় যে চীনের কাছে বর্তমানে এআই কাজের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটার রয়েছে।
তাদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কম্পিউটিং শিল্পে বড় পরিবর্তন এসেছে এবং টপ-৫০০ তালিকা তৈরির পদ্ধতিও মূলত ঐতিহ্যগত বৈজ্ঞানিক গণনার সক্ষমতা পরিমাপ করে। এআই-সংশ্লিষ্ট কাজের অনুকরণে পরিচালিত একটি আলাদা বেঞ্চমার্ক পরীক্ষায় লাইনশাইন চতুর্থ স্থানে রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে সুপারকম্পিউটারগুলো ব্যবহার করা হয়েছে জটিল বৈজ্ঞানিক গবেষণায়, যেমন পরমাণুর পারস্পরিক ক্রিয়া বা বিভিন্ন পদার্থবিজ্ঞানের সিমুলেশন পরিচালনায়। টপ৫০০ তালিকায় স্থান পেতে হলে সুপারকম্পিউটারগুলোকে এমন কিছু নির্দিষ্ট পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়, যা এই ধরনের কাজের সক্ষমতা যাচাই করে।
কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফট, অ্যামাজন এবং গুগল বিশাল আকারের কম্পিউটিং অবকাঠামো তৈরি করেছে, যেগুলো মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাজের জন্য নকশা করা।
সূত্র: রয়টার্স
এমএসএম
What's Your Reaction?