সুরঞ্জিত সেন হত্যাচেষ্টা মামলায় আরিফুল-বাবর-গউছসহ খালাস ৮
দীর্ঘ ২২ বছর পর সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় গ্রেনেড হামলা ও হত্যা চেষ্টা মামলায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছসহ ৮ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।
বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক জনসভায় গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। হামলায় যুবলীগের এক নেতা নিহত হন এবং অন্তত ২৯ জন আহত হন।
ঘটনার পর দায়ের করা মামলায় অভিযোগ আনা হয়, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়েছিল। দীর্ঘ তদন্ত শেষে বিভিন্ন সময়ে বিএনপির সাবেক নেতা ও বর্তমান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন
দীর্ঘ ২২ বছর পর সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় গ্রেনেড হামলা ও হত্যা চেষ্টা মামলায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছসহ ৮ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।
বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক জনসভায় গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। হামলায় যুবলীগের এক নেতা নিহত হন এবং অন্তত ২৯ জন আহত হন।
ঘটনার পর দায়ের করা মামলায় অভিযোগ আনা হয়, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়েছিল। দীর্ঘ তদন্ত শেষে বিভিন্ন সময়ে বিএনপির সাবেক নেতা ও বর্তমান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরবর্তীতে আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
চলতি বছরের এপ্রিলে আদালতে হাজির হয়ে আরিফুল হক চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর ও জি কে গউছ নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। একই মাসে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়।
আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন থাকা এ মামলাটি সিলেট অঞ্চলের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক সহিংসতার মামলা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল। মামলার বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আগ্রহ ছিল।
অবশেষে বৃহস্পতিবার ঘোষিত রায়ে আরিফুল হক চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর ও জি কে গউছসহ ৮ আসামিকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।
সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন কালবেলাকে বলেন, মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ কোনো জোরালো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। ৬৭ জন সাক্ষীর মধ্যে তদন্ত কর্মকর্তা ও একজন সাক্ষী ছাড়া আর কেউ কোনো আসামির নাম উল্লেখ করতে পারেননি। তাই আদালত সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছসহ ৮ আসামিকে সসম্মানে খালাস দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন পর হলেও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় আমরা আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞ।