সুস্থ হয়ে গেছেন লিটন! অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলবেন প্রথম টেস্ট!

এ মুহূর্তে বাংলাদেশ দলে আছেন একঝাঁক দ্রুতগতির বোলার। যারা টেস্ট, ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি, তিন ফরম্যাটে খেলার মতো অন্তত ৫/৬ জন কোয়ালিটি ফাস্টবোলার স্কোয়াডে। তারপরও নাহিদ রানার অনুপস্থিতি নিয়ে নানা কথা। এই দ্রুতগতির বোলার দলে না থাকায় বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ের শক্তি কমে গেছে। যদিও তাসকিন, হাসান মাহমুদ, খালেদ আর এবাদত আছেন। তারপরও নাহিদ রানার অনুপস্থিতিটাই বড় করে দেখা হচ্ছে। সেটা এ তরুণ ফাস্টবোলারের নিকট অতীত ও সাম্প্রতিক সময়ের পারফরম্যান্সের কারণেই এমনটা ভাবা হচ্ছে। সবার মুখে একটাই কথা, ২৩ বছর পর বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলবে, আর তাতে নেই সময়ের সবচেয়ে ইনফর্ম ও কার্যকর ফাস্টবোলার নাহিদ রানা। ধারাবাহিকভাবে ১৪৫ কিলোমিটার গতির ওপরে বোলিং করার ক্ষমতা নাহিদ রানাকে পৌঁছে দিয়েছে অন্য মাত্রায়। যা নেই আর কোনো বাংলাদেশি পেসারের। বাড়তি উচ্চতা, হাই-আর্ম অ্যাকশন, প্রচণ্ড গতির ওপর বাউন্সার ছোড়া এবং সুইংয়ের মিশেলে নাহিদ রানা প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের কাছে রীতিমতো আতঙ্কের নাম। খেলাটা অস্ট্রেলিয়ায় বলেই তাকে নিয়ে কথাবার্তা বেশি হচ্ছে। নাহিদ রানা থাকলে অবশ্যই ট্রাভিস হেড, ল্যাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ ও জ্যাক ওয়েদারল

সুস্থ হয়ে গেছেন লিটন! অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলবেন প্রথম টেস্ট!

এ মুহূর্তে বাংলাদেশ দলে আছেন একঝাঁক দ্রুতগতির বোলার। যারা টেস্ট, ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি, তিন ফরম্যাটে খেলার মতো অন্তত ৫/৬ জন কোয়ালিটি ফাস্টবোলার স্কোয়াডে। তারপরও নাহিদ রানার অনুপস্থিতি নিয়ে নানা কথা।

এই দ্রুতগতির বোলার দলে না থাকায় বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ের শক্তি কমে গেছে। যদিও তাসকিন, হাসান মাহমুদ, খালেদ আর এবাদত আছেন। তারপরও নাহিদ রানার অনুপস্থিতিটাই বড় করে দেখা হচ্ছে। সেটা এ তরুণ ফাস্টবোলারের নিকট অতীত ও সাম্প্রতিক সময়ের পারফরম্যান্সের কারণেই এমনটা ভাবা হচ্ছে।

সবার মুখে একটাই কথা, ২৩ বছর পর বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলবে, আর তাতে নেই সময়ের সবচেয়ে ইনফর্ম ও কার্যকর ফাস্টবোলার নাহিদ রানা। ধারাবাহিকভাবে ১৪৫ কিলোমিটার গতির ওপরে বোলিং করার ক্ষমতা নাহিদ রানাকে পৌঁছে দিয়েছে অন্য মাত্রায়। যা নেই আর কোনো বাংলাদেশি পেসারের।
বাড়তি উচ্চতা, হাই-আর্ম অ্যাকশন, প্রচণ্ড গতির ওপর বাউন্সার ছোড়া এবং সুইংয়ের মিশেলে নাহিদ রানা প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের কাছে রীতিমতো আতঙ্কের নাম। খেলাটা অস্ট্রেলিয়ায় বলেই তাকে নিয়ে কথাবার্তা বেশি হচ্ছে।

নাহিদ রানা থাকলে অবশ্যই ট্রাভিস হেড, ল্যাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ ও জ্যাক ওয়েদারল্যান্ডকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে পারতেন। বাকিরা তা পারবেন না, তা নয়। তবে তাসকিন, হাসান মাহমুদ আর খালেদের সামর্থ্যও কম নয়।

তারপরও তারা কেউই নাহিদ রানা নন। নাহিদ রানার মতো ১৪৭/১৪৮ কিংবা ১৪৯ প্লাস কিলোমিটার গতিতে বল করার ক্ষমতা নেই কারও। বাড়তি গতির পাশাপাশি বাড়তি বাউন্স আদায় নেওয়ার ক্ষমতাটাও নাহিদ রানার অন্যদের চেয়ে বেশি। তাই তাকে প্রতিপক্ষ ব্যাটাররা যত সমীহ দেখায়, বাকিদের তা দেখায় না। সেটাই মিস করবে বাংলাদেশ।

এখন দেখার বিষয়, আগামী ১৩ আগস্ট থেকে ডারউইনে যে প্রথম টেস্ট শুরু হচ্ছে, তাতে বাংলাদেশের পেসাররা অসি ব্যাটারদের কতটা পরীক্ষার মুখে ঠেলে দিতে পারেন।

এদিকে টেস্ট শুরুর সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের ভক্ত ও সমর্থকদের চিন্তাও ততই বাড়ছে। প্রথম চিন্তা, কী করবে টাইগাররা? অসিদের সঙ্গে টেস্টে কুলিয়ে উঠতে পারবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল?

পাঁচ দিনের ম্যাচে জিততে না পারুক, ড্র করা কি সম্ভব হবে? টিম বাংলাদেশ কি নিজ শক্তিতে বলীয়ান হয়ে পাঁচ দিন লড়াই চালিয়ে যেতে পারবে? মারমা ওভালে কেমন হবে টাইগারদের টিম কম্বিনেশন? ব্যাটসম্যান খেলবেন কজন? সঙ্গে পেস বোলার ও স্পিনার খেলানো হবে কজন করে?

এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে মিলেছে সুসংবাদ। প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন জানিয়েছেন, লিটন দাস সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আজ ১১ আগস্টই মিলেছে লিটন দাসের ম্যাচ ফিটনেসের সুখবর। লিটন দাস ফিট হয়ে ওঠার অর্থ, তিনি খেলবেন। এবং তাকে ধরেই একাদশ সাজানোর চিন্তা প্রায় চূড়ান্ত বলেও জানা গেছে।

এদিকে প্রস্তুতি ম্যাচে সুবিধা করতে না পারলেও ধারণা করা হচ্ছে নিয়মিত টেস্ট ওপেনার সাদমান ইসলামের সঙ্গে ড্যাশিং তানজিদ হোসেন তামিমকে দিয়েই ওপেন করানো হবে। শান্ত, ধৈর্যশীল এবং উইকেট আঁকড়ে পড়ে থাকার কাজটি পারেন সাদমান। আর তানজিদ তামিম চালিয়ে খেলতে ভালোবাসেন।
টেকনিকটাও মন্দ নয়। আলগা ডেলিভারিগুলোকে স্কোরিং শটে পরিণত করার চেষ্টা থাকে এ বাঁ-হাতি ওপেনারের। তাই ধারণা করা হচ্ছে, হ্যাজেলউড, মিচেল স্টার্ক আর কামিন্সের গড়া ফাস্টবোলিংয়ের বিপক্ষে তানজিদ তামিমের কাউন্টার অ্যাটাক করার ক্ষমতা আছে। সে কারণেই তার খেলার সম্ভাবনা অনেক বেশি। তবে একাদশে থাকলে অসি ফাস্টবোলারদের পাশাপাশি অফস্পিনার লায়নকেও সামলাতে হবে তাকে।

এদিকে মুমিনুল হককে ওয়ান ডাউনে নিয়ে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে চার নম্বরে খেলানোর চিন্তাই নাকি চূড়ান্ত। সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম পাঁচ নম্বর পজিশনে। তার পরপরই লিটন দাস। এই ৬ প্রতিষ্ঠিত ব্যাটারের সঙ্গে মেহেদি হাসান মিরাজ থাকবেন সাতে।

এরপর বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল অটোমেটিক চয়েজ। সঙ্গে ৩ পেসার; নাহিদ রানা নেই। শরিফুলও এ টেস্টে খেলার মতো অবস্থায় নেই। তাই তাসকিন, হাসান মাহমুদ আর খালেদকেই খেলানোর সম্ভাবনা অনেক বেশি।

প্রস্তুতি ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান মিরাজ সাত নম্বরে, ব্যাটিং লাইন বেশ লম্বা বলেই মনে হচ্ছে। এই ৭ ব্যাটারের সঙ্গে ২ স্পিনার- তাইজুল, মিরাজ এবং ৩ পেসার- তাসকিন, হাসান মাহমুদ আর খালেদকে নিয়ে একাদশ। মন্দ নয়। লিটন দাস ফিরে আসায় মিডল অর্ডার ব্যাটিংয়ের স্থিতি ফিরে এসেছে অনেকখানি।

সব মিলিয়ে নাহিদ রানা ছাড়া এটাই সময়ের সেরা টেস্ট একাদশ বাংলাদেশের। দেখা যাক, ৪৮ ঘণ্টা পর ডারউনে কেমন করে ওই দল? বলে রাখা ভালো, লিটন দাস কাফ (হাঁটুর নিচের বিপরীত অংশের মাংসপেশিতে টান) ইনজুরিতে ভুগছিলেন। সেটা ভালো হয়ে গেছে।

আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৭টা নাগাদ এই তথ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন জাগো নিউজকে জানান, আজকেই নিশ্চিত হওয়া গেছে লিটন দাস ফিট।

এআরবি/আইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow