সুস্পষ্ট লঘুচাপ রূপ নিল নিম্নচাপে, বন্দরে সংকেত বহাল
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে, যার প্রভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এদিকে, সিলেটে কুশিয়ারার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া বাড়ছে বন্যাপ্রবণ অন্যান্য নদ-নদীর পানিও। আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক স্বাক্ষরিত আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূল ও তৎসংলগ্ন উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়ে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেক
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে, যার প্রভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এদিকে, সিলেটে কুশিয়ারার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া বাড়ছে বন্যাপ্রবণ অন্যান্য নদ-নদীর পানিও।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক স্বাক্ষরিত আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূল ও তৎসংলগ্ন উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়ে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে শুক্রবার খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে। বৃহস্পতিবার সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে। এদিন সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে দেশের সর্বোচ্চ ১৫১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সিলেটে, ৩৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ স্টেশনে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মনু, ধলাই ও খোয়াই নদীর পানি সমতল বেড়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, খোয়াই নদীর পানি আগামী তিন দিন কমতে পারে। অন্যদিকে মনু ও ধলাই নদীর পানি আরও এক দিন বাড়ার পর পরবর্তী দুই দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।
চট্টগ্রাম বিভাগের পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের গোমতী, সেলোনিয়া, ফেনী, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি সমতলও বেড়েছে। বিপরীতে মুহুরী ও হালদা নদীর পানি কমেছে। এসব নদীর পানি আগামী দুই দিন বাড়তে পারে এবং পরবর্তী এক দিন স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীগুলোর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী ৩ দিন এ নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এ ছাড়া ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি সমতলও গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে।
আগামী তিন দিন পানি কমতে পারে এবং পরবর্তী দুই দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। অন্যদিকে গঙ্গা-পদ্মা নদীগুলোর পানি সমতল বেড়েছে। আগামী তিন দিন এই বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর পরবর্তী দুই দিন পানি স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এসব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হতে পারে।
What's Your Reaction?