সুয়েজের কাছে ৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল কায়রো
মিশরের পূর্বাঞ্চলের সুয়েজ শহরের কাছে ৫ দশমিক ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সোমবার (৩ জুলাই) ভোরে হওয়া এই ভূমিকম্পের কম্পন রাজধানী কায়রোসহ দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় অনুভূত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
মিশরের ন্যাশনাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড জিওফিজিকস জানায়, স্থানীয় সময় রাত ৩টার দিকে সুয়েজ শহরের প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। প্রথমে এর মাত্রা ৫ দশমিক ২ বলা হলেও পরে তা সংশোধন করে ৫ দশমিক ৫ জানানো হয়।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫ দশমিক শূন্য বলে জানিয়েছে।
ভূমিকম্পের পরপরই মিশরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দেশজুড়ে জরুরি প্রস্তুতি জোরদার করে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী খালেদ আবদেল গাফ্ফার অ্যাম্বুলেন্স সেবাকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং মিশরীয় রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোথাও হতাহত বা উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মিশরীয় রেড ক্রিসেন্ট জনগণকে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন থেকে দূরে থাকার
মিশরের পূর্বাঞ্চলের সুয়েজ শহরের কাছে ৫ দশমিক ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সোমবার (৩ জুলাই) ভোরে হওয়া এই ভূমিকম্পের কম্পন রাজধানী কায়রোসহ দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় অনুভূত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
মিশরের ন্যাশনাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড জিওফিজিকস জানায়, স্থানীয় সময় রাত ৩টার দিকে সুয়েজ শহরের প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। প্রথমে এর মাত্রা ৫ দশমিক ২ বলা হলেও পরে তা সংশোধন করে ৫ দশমিক ৫ জানানো হয়।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫ দশমিক শূন্য বলে জানিয়েছে।
ভূমিকম্পের পরপরই মিশরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দেশজুড়ে জরুরি প্রস্তুতি জোরদার করে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী খালেদ আবদেল গাফ্ফার অ্যাম্বুলেন্স সেবাকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং মিশরীয় রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোথাও হতাহত বা উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মিশরীয় রেড ক্রিসেন্ট জনগণকে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে কায়রোর পুরোনো আবাসিক এলাকাগুলোতে এ ধরনের ভবনের সংখ্যা বেশি।
উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার দেশ মিশরে বড় ধরনের ভূমিকম্প তুলনামূলকভাবে কম হয়। তবে ১৯৯২ সালের অক্টোবরে দেশটির ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্পে রাজধানী কায়রোসহ বিভিন্ন এলাকায় ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন এবং হাজারো মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েন।