সেতুর অভাবে ১০ গ্রামের মানুষের চরম দুর্ভোগ
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার করতোয়া নদীর ওপর নির্মিত একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোই এখন ৮ থেকে ১০টি গ্রামের হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা। এই জনপদে কোনো স্থায়ী সেতু নির্মিত না হওয়ায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সড়াইদহ এলাকাসহ আশপাশের গ্রামগুলোর মানুষ নিজ উদ্যোগে এই সাঁকোটি নির্মাণ করেছেন। সড়াইদহ, লক্ষিকোলা, খোকশা হাট, পাইকড়া, শ্যামনাই ও ভুইয়াগাঁতীসহ অন্তত ৮-১০টি গ্রামের কৃষক, শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবী মানুষ প্রতিদিন এই পথ দিয়ে চলাচল করেন। বর্ষাকালে সাঁকোটি আরও পিচ্ছিল ও বিপজ্জনক হয়ে ওঠায় নারী, শিশু ও বয়স্কদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, পাশেই ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক এবং এর বাইপাস সড়ক থাকা সত্ত্বেও এখানে কোনো স্থায়ী সেতু নির্মিত হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা আল আমিন বলেন, প্রতিদিন পণ্য আনা-নেওয়া করতে গিয়ে এই সাঁকো আমাদের মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়ায়। একটি স্থায়ী সেতু আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি।
বয়স্ক বাসিন্দা মো. শাহজাহান শেখ ও ইমাম আমিনুল ইসলাম জানান, বয়সের ভারে এই নড়বড়ে সাঁকো দিয়ে পার হওয়া অসম্ভব
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার করতোয়া নদীর ওপর নির্মিত একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোই এখন ৮ থেকে ১০টি গ্রামের হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা। এই জনপদে কোনো স্থায়ী সেতু নির্মিত না হওয়ায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সড়াইদহ এলাকাসহ আশপাশের গ্রামগুলোর মানুষ নিজ উদ্যোগে এই সাঁকোটি নির্মাণ করেছেন। সড়াইদহ, লক্ষিকোলা, খোকশা হাট, পাইকড়া, শ্যামনাই ও ভুইয়াগাঁতীসহ অন্তত ৮-১০টি গ্রামের কৃষক, শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবী মানুষ প্রতিদিন এই পথ দিয়ে চলাচল করেন। বর্ষাকালে সাঁকোটি আরও পিচ্ছিল ও বিপজ্জনক হয়ে ওঠায় নারী, শিশু ও বয়স্কদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, পাশেই ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক এবং এর বাইপাস সড়ক থাকা সত্ত্বেও এখানে কোনো স্থায়ী সেতু নির্মিত হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা আল আমিন বলেন, প্রতিদিন পণ্য আনা-নেওয়া করতে গিয়ে এই সাঁকো আমাদের মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়ায়। একটি স্থায়ী সেতু আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি।
বয়স্ক বাসিন্দা মো. শাহজাহান শেখ ও ইমাম আমিনুল ইসলাম জানান, বয়সের ভারে এই নড়বড়ে সাঁকো দিয়ে পার হওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীদেরও প্রতিদিন ভয়ে ভয়ে এই সাঁকো পার হয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবার নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও আজও তা বাস্তবায়িত হয়নি।
চান্দাইকোনা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান খাঁন বলেন, করতোয়া নদীর ওপর দিয়ে প্রতিদিন ৪-৫ হাজার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন। আমরা বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং প্রকৌশল বিভাগে কথা বলেছি। স্থানীয় সংসদ সদস্য ভিপি আইনুল হককে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং খুব দ্রুত ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. রবিউল আলম জানান, এলাকাবাসীর দুর্ভোগের বিষয়টি নজরে এসেছে।
তিনি বলেন, সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হবে।