সেতুর সংযোগ সড়কে ধস, ঝুঁকিতে যান চলাচল

কুড়িগ্রামের রৌমারীর কাশিয়াবাড়ী সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে পড়ায় বিপাকে পড়েছেন দুই পাড়ের মানুষ। দ্রুত সংস্কার না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। সড়কের পাশে গভীর খাদ সৃষ্টি হওয়ায় মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, অটোভ্যান ও পথচারীরা প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের কাশিয়াবাড়ী গ্রামের খালের ওপর নির্মিত ৯৬ মিটার দীর্ঘ সেতুর দুই প্রান্তের সংযোগ সড়কের বড় অংশ ধসে যায়। এতে সড়কে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সূত্র জানায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণের কাজ পায় জামালপুরের এমইএম এন্টারপ্রাইজ। তবে সেতুর মূল নির্মাণকাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়কে মাটি ভরাটের কাজ সম্পন্ন হয়নি। এছাড়া সেতুর দুই প্রান্তে প্রয়োজনীয় গাইডওয়ালও নির্মাণ করা হয়নি। ফলে ভারী বর্ষণে পানির স্রোতে সংযোগ সড়ক ভেঙে গিয়ে এ দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মালেক ও খতিব আলী বলেন, বিষয়টি একাধিকবার উপজেলা প্রকৌশল বিভাগকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে প্রায়ই মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও অটোভ্যান গর্তে পড়ে দুর্ঘটন

সেতুর সংযোগ সড়কে ধস, ঝুঁকিতে যান চলাচল

কুড়িগ্রামের রৌমারীর কাশিয়াবাড়ী সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে পড়ায় বিপাকে পড়েছেন দুই পাড়ের মানুষ। দ্রুত সংস্কার না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

সড়কের পাশে গভীর খাদ সৃষ্টি হওয়ায় মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, অটোভ্যান ও পথচারীরা প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের কাশিয়াবাড়ী গ্রামের খালের ওপর নির্মিত ৯৬ মিটার দীর্ঘ সেতুর দুই প্রান্তের সংযোগ সড়কের বড় অংশ ধসে যায়। এতে সড়কে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্র জানায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণের কাজ পায় জামালপুরের এমইএম এন্টারপ্রাইজ। তবে সেতুর মূল নির্মাণকাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়কে মাটি ভরাটের কাজ সম্পন্ন হয়নি। এছাড়া সেতুর দুই প্রান্তে প্রয়োজনীয় গাইডওয়ালও নির্মাণ করা হয়নি। ফলে ভারী বর্ষণে পানির স্রোতে সংযোগ সড়ক ভেঙে গিয়ে এ দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মালেক ও খতিব আলী বলেন, বিষয়টি একাধিকবার উপজেলা প্রকৌশল বিভাগকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে প্রায়ই মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও অটোভ্যান গর্তে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। গত সপ্তাহে এক বৃদ্ধ গর্তে পড়ে পা ও কোমরে গুরুতর আঘাত পান।

রৌমারী উপজেলা প্রকৌশল কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সেতুর দুই প্রান্তে গাইডওয়ালের কাজ করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ঠিকাদারের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু কর‌বে বলে আশা করছি।

রৌমারী উপজেলা প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সৌরভ কুমার সাহা বলেন, সেতুটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পরিদর্শন করেছেন। খুব দ্রুত সংযোগ সড়কে মাটি ভরাট করে যান চলাচলের উপযোগী করে দেওয়া হবে।


রোকনুজ্জামান মানু/এসজেডএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow