সেমি থেকে বিদায় নিয়ে ক্ষমা চাইলেন বাংলাদেশের দ্রুততম মানব
হিটে হয়েছেন দ্বিতীয়, জায়গা করে নেন সেমিফাইনালে। সেখানে ৮ জনের মধ্যে তৃতীয় হলেও ফাইনালের দরজা ভাঙতে পারেননি বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান। চীনের তিয়ানজিনে শুরু হওয়া এশিয়ান ইনডোর অ্যাথলেটিকসে ৬০ মিটার স্প্রিন্ট ইভেন্টে সেমিফাইনালেই বাদ পড়লেন তিনি। প্রথম সেমিফাইনালে ৬.৭৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে দৌড় শেষ করেন ইমরানুর। তাঁর আগে ৬.৬৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে উত্তর কোরিয়ার কুম রিয়ং জো প্রথম ও ৬.৭৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে জিনজিয়ান হি হয়েছেন দ্বিতীয়। এর আগে হিটে আরও কম সময় নেন ইমরানুর। ৬.৭৩ সেকেন্ডে শেষ করেন দৌড়। এই হিটে ৬.৬৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে প্রথম হয়েছেন জাপানের কিরিউ ইয়োশিহিদে। প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি হিটের শীর্ষ চারজন অ্যাথলেট সরাসরি সেমিফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করেন। ফাইনালে সেরা ৯ অ্যাথলেটের মধ্যে শেষ জনের টাইমিং ছিল ৬.৭৪ সেকেন্ড। ২০২৩ সালে কাজাখস্তানে অনুষ্ঠিত এই এশিয়ান ইনডোর চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন ইমরানুর। যা এশিয়ার শীর্ষ পর্যায়ে বাংলাদেশের অ্যাথলেটিকসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ সাফল্য। ২০২৪ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আসরে তিনি চতুর্থ হলেও এবার ফাইনালেই উঠতে পারেননি। তাই হতাশ হয়ে
হিটে হয়েছেন দ্বিতীয়, জায়গা করে নেন সেমিফাইনালে। সেখানে ৮ জনের মধ্যে তৃতীয় হলেও ফাইনালের দরজা ভাঙতে পারেননি বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান। চীনের তিয়ানজিনে শুরু হওয়া এশিয়ান ইনডোর অ্যাথলেটিকসে ৬০ মিটার স্প্রিন্ট ইভেন্টে সেমিফাইনালেই বাদ পড়লেন তিনি।
প্রথম সেমিফাইনালে ৬.৭৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে দৌড় শেষ করেন ইমরানুর। তাঁর আগে ৬.৬৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে উত্তর কোরিয়ার কুম রিয়ং জো প্রথম ও ৬.৭৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে জিনজিয়ান হি হয়েছেন দ্বিতীয়।
এর আগে হিটে আরও কম সময় নেন ইমরানুর। ৬.৭৩ সেকেন্ডে শেষ করেন দৌড়। এই হিটে ৬.৬৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে প্রথম হয়েছেন জাপানের কিরিউ ইয়োশিহিদে। প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি হিটের শীর্ষ চারজন অ্যাথলেট সরাসরি সেমিফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করেন। ফাইনালে সেরা ৯ অ্যাথলেটের মধ্যে শেষ জনের টাইমিং ছিল ৬.৭৪ সেকেন্ড।
২০২৩ সালে কাজাখস্তানে অনুষ্ঠিত এই এশিয়ান ইনডোর চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন ইমরানুর। যা এশিয়ার শীর্ষ পর্যায়ে বাংলাদেশের অ্যাথলেটিকসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ সাফল্য। ২০২৪ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আসরে তিনি চতুর্থ হলেও এবার ফাইনালেই উঠতে পারেননি। তাই হতাশ হয়ে এই অ্যাথলেট বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে আমি পারিনি (ফাইনালে উঠতে)— এর জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। প্রায় দুই বছর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় না খেলার পরও এই পরিস্থিতি থেকে ইতিবাচক দিকটাই নিতে চাই যে এবার অন্তত কোনো চোট পাইনি।সামনের ইভেন্টগুলোর জন্য নিজেকে গড়ে তোলার সুযোগ আছে। আপনাদের সবার সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ। খুব শিগগিরই দেখা হবে—ইনশাআল্লাহ।’
What's Your Reaction?