সেমিফাইনালে কোন শক্তিধরের মুখোমুখি ফ্রান্স?

কিলিয়ান এমবাপ্পের অনবদ্য পারফরম্যান্সে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। একটি গোল করার পাশাপাশি আরেকটি গোলে অ্যাসিস্ট করে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন ফরাসি অধিনায়ক। তবে শেষ চারের টিকিট নিশ্চিত হলেও এখনো জানা যায়নি এমবাপ্পেদের পরবর্তী প্রতিপক্ষ; স্পেন ও বেলজিয়ামের মধ্যকার কোয়ার্টার ফাইনালের বিজয়ী দলই মুখোমুখি হবে ফ্রান্সের। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে ফ্রান্স। বলের দখল, দ্রুত পাস বিনিময় এবং ধারালো আক্রমণে মরক্কোকে চাপে রাখে তারা। আফ্রিকার প্রতিনিধিরা কয়েকবার পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করলেও ফরাসি রক্ষণভাগের দৃঢ়তা ও মধ্যমাঠের নিয়ন্ত্রণ ভাঙতে পারেনি। শুরুর বাঁশি বাজতেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ফ্রান্স। এমবাপ্পের গতি ও ড্রিবলিংয়ে বারবার বিপাকে পড়ে মরক্কোর রক্ষণভাগ। দ্বিতীয়ার্ধে ডি-বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। এরপরও আক্রমণের ধার অব্যাহত রাখে ফ্রান্স। এমবাপ্পের নিখুঁত পাস থেকে দেম্বেলে ব্যবধান দ্বিগুণ করলে জয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায়। গ

সেমিফাইনালে কোন শক্তিধরের মুখোমুখি ফ্রান্স?

কিলিয়ান এমবাপ্পের অনবদ্য পারফরম্যান্সে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। একটি গোল করার পাশাপাশি আরেকটি গোলে অ্যাসিস্ট করে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন ফরাসি অধিনায়ক।

তবে শেষ চারের টিকিট নিশ্চিত হলেও এখনো জানা যায়নি এমবাপ্পেদের পরবর্তী প্রতিপক্ষ; স্পেন ও বেলজিয়ামের মধ্যকার কোয়ার্টার ফাইনালের বিজয়ী দলই মুখোমুখি হবে ফ্রান্সের।

যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে ফ্রান্স। বলের দখল, দ্রুত পাস বিনিময় এবং ধারালো আক্রমণে মরক্কোকে চাপে রাখে তারা। আফ্রিকার প্রতিনিধিরা কয়েকবার পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করলেও ফরাসি রক্ষণভাগের দৃঢ়তা ও মধ্যমাঠের নিয়ন্ত্রণ ভাঙতে পারেনি।

শুরুর বাঁশি বাজতেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ফ্রান্স। এমবাপ্পের গতি ও ড্রিবলিংয়ে বারবার বিপাকে পড়ে মরক্কোর রক্ষণভাগ। দ্বিতীয়ার্ধে ডি-বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।

এরপরও আক্রমণের ধার অব্যাহত রাখে ফ্রান্স। এমবাপ্পের নিখুঁত পাস থেকে দেম্বেলে ব্যবধান দ্বিগুণ করলে জয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায়।

গত বিশ্বকাপের রানার্সআপ ফ্রান্স এবারও শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করে চলেছে। আক্রমণভাগের ধার, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় প্রতিপক্ষকে খুব কম সুযোগই দিচ্ছে দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

সেমিফাইনাল নিশ্চিত হলেও এখনো জানা যায়নি ফ্রান্সের পরবর্তী প্রতিপক্ষ। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত ১টায় লস অ্যাঞ্জেলেসে দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেন ও বেলজিয়াম। সেই ম্যাচের বিজয়ী দলই সেমিফাইনালে এমবাপ্পেদের মোকাবিলা করবে।

আগামী বুধবার রাত ১টায় ডালাসে অনুষ্ঠিত হবে প্রথম সেমিফাইনাল। ইউরোপের আরেক পরাশক্তির বিপক্ষে জায়গা নিশ্চিত করবে স্পেন, নাকি বেলজিয়াম- সেটিই এখন ফুটবলপ্রেমীদের সবচেয়ে বড় অপেক্ষা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow