সৈকতে ভেসে এলো মৃত ইরাবতী ডলফিন
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে আবারও ভেসে এসেছে প্রায় ৮ ফুট লম্বা একটি মৃত ডলফিন। রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে সৈকতের পশ্চিম পাশে জোয়ারের পানির সঙ্গে ভেসে আসে ডলফিনটি। এটির শরীরের বেশিরভাগ অংশের চামড়া উঠে গেছে এবং পেট ফেটে যাওয়াসহ দড়ি দিয়ে লেস বাধা বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। উপকূল রক্ষা আন্দোলনের (উপরা) সদস্য আব্দুল জলিল প্রথমে ডলফিনটি দেখতে পান এবং পরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি ইরাবতী ডলফিন যার মাথা গোলাকার এবং সাধারণ ডলফিনের মতো লম্বা ঠোঁট থাকে না। এ প্রজাতির ডলফিন সাধারণত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অগভীর উপকূলীয় জল ও বড় নদীগুলোতে বসবাস করে। এটি একটি বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে পরিচিত এবং সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমাদের জন্য অশনিসংকেত। ডলফিনের মৃত্যু উপকূলীয় পরিবেশের অবনতির ইঙ্গিত দেয়। দ্রুত কারণ অনুসন্ধান করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। উপকূল পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনের (উপরা) যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে আবারও ভেসে এসেছে প্রায় ৮ ফুট লম্বা একটি মৃত ডলফিন। রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে সৈকতের পশ্চিম পাশে জোয়ারের পানির সঙ্গে ভেসে আসে ডলফিনটি।
এটির শরীরের বেশিরভাগ অংশের চামড়া উঠে গেছে এবং পেট ফেটে যাওয়াসহ দড়ি দিয়ে লেস বাধা বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
উপকূল রক্ষা আন্দোলনের (উপরা) সদস্য আব্দুল জলিল প্রথমে ডলফিনটি দেখতে পান এবং পরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি ইরাবতী ডলফিন যার মাথা গোলাকার এবং সাধারণ ডলফিনের মতো লম্বা ঠোঁট থাকে না।
এ প্রজাতির ডলফিন সাধারণত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অগভীর উপকূলীয় জল ও বড় নদীগুলোতে বসবাস করে। এটি একটি বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে পরিচিত এবং সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমাদের জন্য অশনিসংকেত। ডলফিনের মৃত্যু উপকূলীয় পরিবেশের অবনতির ইঙ্গিত দেয়। দ্রুত কারণ অনুসন্ধান করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
উপকূল পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনের (উপরা) যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, বারবার মৃত ডলফিন ও কচ্ছপ ভেসে আসা প্রমাণ করে যে আমাদের সামুদ্রিক পরিবেশ হুমকির মুখে। অনিয়ন্ত্রিত মাছ ধরা, প্লাস্টিক দূষণ ও নৌ-যানের অসচেতন চলাচল এর জন্য দায়ী হতে পারে।
বন বিভাগ মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, ডলফিনটির মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং স্থানীয়দের সচেতন করতে কাজ চলছে।
পরে ডলফিন রক্ষা কমিটি, কুয়াকাটা পৌরসভা, বন বিভাগ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উপরা সদস্যরা যৌথভাবে মাটিচাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
What's Your Reaction?