সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল খবরের সত্যতা যাচাই করবে গুগল

  বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো জরুরি ঘটনার খবর, আন্তর্জাতিক উত্তেজনা বা যুদ্ধের খবর মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। কিন্তু এই খবরগুলোর সত্যতা সবসময় যাচাই করা সহজ নয়। ভুল বা বিভ্রান্তিকর খবর কেবল আপনাকে বিভ্রান্তই করে না, বরং কখনও কখনও তা ক্ষতিকর প্রভাবও ফেলে। তাই কোনো খবরকে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করার আগে সতর্কভাবে যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কাজে সাহায্য করার জন্য গুগল একটি বিশেষ টুল তৈরি করেছে ফ্যাক্ট চেক টুল। এটি ব্যবহার করে আপনি জানতে পারেন কোনো খবর আগে যাচাই করা হয়েছে কি না। ব্যবহার করতে, গুগলের ফ্যাক্ট চেক প্ল্যাটফর্মে গিয়ে খবরের মূল শব্দ বা কীওয়ার্ড অনুসন্ধান করুন। এরপর নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন, যা আপনাকে বোঝাতে সাহায্য করবে ভাইরাল হওয়া খবরের কতটুকু সত্য। তবে শুধু টুলের উপর নির্ভর করলেই হবে না। নিজেরও সামান্য বুদ্ধি ব্যবহার করা জরুরি। যদি কোনো পোস্ট দেখেই আবেগগত উত্তেজনা বা ভয় তৈরি করে, তবে সতর্ক হোন। অনেক সময় এই ধরনের কনটেন্ট মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা হয়। খবরে উৎসের দিকে মনোযোগ দিন। লেখক বা ওয়েবসাইট কি নির্ভরযোগ্য, তা যাচাই করুন। ভ

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল খবরের সত্যতা যাচাই করবে গুগল

 

বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো জরুরি ঘটনার খবর, আন্তর্জাতিক উত্তেজনা বা যুদ্ধের খবর মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। কিন্তু এই খবরগুলোর সত্যতা সবসময় যাচাই করা সহজ নয়। ভুল বা বিভ্রান্তিকর খবর কেবল আপনাকে বিভ্রান্তই করে না, বরং কখনও কখনও তা ক্ষতিকর প্রভাবও ফেলে। তাই কোনো খবরকে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করার আগে সতর্কভাবে যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ কাজে সাহায্য করার জন্য গুগল একটি বিশেষ টুল তৈরি করেছে ফ্যাক্ট চেক টুল। এটি ব্যবহার করে আপনি জানতে পারেন কোনো খবর আগে যাচাই করা হয়েছে কি না। ব্যবহার করতে, গুগলের ফ্যাক্ট চেক প্ল্যাটফর্মে গিয়ে খবরের মূল শব্দ বা কীওয়ার্ড অনুসন্ধান করুন। এরপর নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন, যা আপনাকে বোঝাতে সাহায্য করবে ভাইরাল হওয়া খবরের কতটুকু সত্য।

তবে শুধু টুলের উপর নির্ভর করলেই হবে না। নিজেরও সামান্য বুদ্ধি ব্যবহার করা জরুরি। যদি কোনো পোস্ট দেখেই আবেগগত উত্তেজনা বা ভয় তৈরি করে, তবে সতর্ক হোন। অনেক সময় এই ধরনের কনটেন্ট মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা হয়।

খবরে উৎসের দিকে মনোযোগ দিন। লেখক বা ওয়েবসাইট কি নির্ভরযোগ্য, তা যাচাই করুন। ভাষা এবং বানানের ধরন থেকেও অনেক কিছু বোঝা যায়। ভুয়া খবরের লেখায় প্রায়শই বানান ভুল বা দুর্বল ভাষা লক্ষ্য করা যায়। যদি ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করা হয়, তা এআই বা সম্পাদিত কি না পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

শিরোনামেও খেয়াল রাখুন। ভুয়া খবরের শিরোনাম সাধারণত চাঞ্চল্যকর এবং ভয় বা বিস্ময় তৈরি করার চেষ্টা করে। কখনো কখনো পুরোনো খবর নতুনভাবে উপস্থাপন করা হয়, তাই তারিখ যাচাই করা প্রয়োজন। এই ছোট খুঁটিনাটি বিষয়গুলো খেয়াল রাখলেই আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া মিথ্যা খবর থেকে নিজেকে অনেকাংশে রক্ষা করতে পারবেন এবং সঠিক তথ্যের কাছে পৌঁছাতে পারবেন।

আরও পড়ুন
গুগল ফটোসের স্টোরেজ ক্লিয়ার করবেন যেভাবে
গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহারেও হ্যাকারের ফাঁদে পড়তে পারেন

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow