বলিউডের অভিনেত্রী সোহা আলি খানের বয়স যেন থেমে গেছে। তাকে দেখে একবারও বোঝার উপায় নেই তিনি ৪৬ ছুঁয়েছেন। দেখলে মনে হবে এখনো ২৪-শে আটকিয়ে আছেন। বয়স যতই বাড়ছে ততই তিনি সুন্দর হচ্ছেন। সোহা আলি খান ফিট থাকতে পছন্দ করেন। যার ফলে বয়সও হার মেনেছে তার সৌন্দর্যের সামনে।
অনুরাগীরা প্রায় জানতে চান একসন্তানের জননী সোহার ফিট থাকার রহস্য কী?
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সোহা নিজেই সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। সোহা জানান, খাবার নিয়ে পরীক্ষা - নিরীক্ষা করতে একদমই পছন্দ করেন না। সকাল এবং দুপুরে তিনি প্রতিদিন একই খাবার খেয়ে থাকেন। সকালে গ্লুটেন ছাড়া টোস্ট, অ্যাভোকাডো এবং ডিমের পোচ খেতে পছন্দ করেন। এর ফলে তার দেহে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং কার্বোহাইড্রেটের অভাব হয় না।
দুপুরে খাবারে সোহা সবজি খেয়ে থাকেন। লাউ, ঝিঙে, কাঁচা কুমড়োর মতো সবজি থাকে তার প্রতিদিনের দুপুরের খাবারে। সেইসঙ্গে ডাল এবং অল্প পরিমাণে ভাত খেয়ে থাকেন। একই ধরনের খাবার তিনি অনেক বছর ধরে খেয়ে আসছেন। এই খাবার খেতে তার কোনো সমস্যা হয় না। একঘেঁয়েও লাগে না।
এই ধরনের ডায়েট সুফল কী?
প্রতিদিন একই ধরনের খাদ্যাভ্যাসকে পুষ্টিবিদেরা ‘মোনো ডায়েট’ বলে থাকেন। এই ডায়েটে একই ধরনের এবং সমপরিমাণের খাবারই প্রতিদিন খাওয়া হয়। সোহা একা নন, এর আগে ভিক্টোরিয়া বেকহ্যাম এবং আনুশকা শর্মা এই ডায়েট অনুসরণ করতেন।
পুষ্টিবিদদের মতে, এই ডায়েটে ক্যালোরি সচেতন হওয়া সম্ভব। দেহের ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে। দীর্ঘসময় ধরে একই রকম খাবার খেয়ে গেলে হজম সংক্রান্ত সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
তবে যেকোনো জিনিসেরই ভালো ও মন্দ দুই দিক রয়েছে। মোনো ডায়েটের খারাপ দিক হলো এই ডায়েটে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট খাবার খাওয়ার ফলে দেহে অন্যান্য পুষ্টিগুণের অভাব দেখা দিতে পারে। অপুষ্টিজনিত রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
এছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
তাই তারকাদের দেখে অনুপ্রাণিত না হয়ে, নিজের শরীরের চাহিদা বুঝে এবং পুষ্টিবিদের সঙ্গে পরামর্শ করে ডায়েট করা উচিত।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
এসএকেওয়াই/এএসএম