সৌদি যুবরাজের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনলাপ করেছেন। এ সময় তারা ইরান যুদ্ধ ও সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করেন। বুধবার (০১ এপ্রিল) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার অনুষ্ঠিত এই ফোনালাপে ট্রাম্প সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে চলমান আলোচনার বিষয়ে সৌদি যুবরাজকে অবহিত করেন। তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে যুদ্ধ বন্ধের একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এতে ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং  হরমুজ প্রণালিতে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে কিছু শর্ত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে ইরান সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। তেহরানের দাবি, যোগাযোগ কেবল মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবগুলো ‘অতিরিক্ত ও অবাস্তব’। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে বিমান হামলা চালিয

সৌদি যুবরাজের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনলাপ করেছেন। এ সময় তারা ইরান যুদ্ধ ও সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করেন।

বুধবার (০১ এপ্রিল) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার অনুষ্ঠিত এই ফোনালাপে ট্রাম্প সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে চলমান আলোচনার বিষয়ে সৌদি যুবরাজকে অবহিত করেন। তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে যুদ্ধ বন্ধের একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এতে ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং  হরমুজ প্রণালিতে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে কিছু শর্ত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তবে ইরান সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। তেহরানের দাবি, যোগাযোগ কেবল মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবগুলো ‘অতিরিক্ত ও অবাস্তব’।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এতে ১ হাজার ৩৪০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এর পাল্টা জবাবে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। যার লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসরায়েলের পাশাপাশি জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ, যেখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। এছাড়া চলমান উত্তেজনার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে প্রভাব পড়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow