সৌদিতে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় ব্যবসায়ীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

সৌদি আরবে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমোদনকারী একটি রাজকীয় আদেশ অনুসারে বুধবার (১ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার মৃত্যুর ঘোষণা দেয়। তার বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অপরাধ আনা হয়েছে।  মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪২ বছর বয়সী সৌদ আল-ফারাজের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তিনি ২০১১ সালের আরব বসন্ত আন্দোলনের সময় পূর্বাঞ্চলের শিয়া অধ্যুষিত কাতিফে গণতান্ত্রিক সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নেন। এই অঞ্চলের শিয়া জনগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের অভিযোগ করে আসছে। এ ছাড়া সৌদ আল-ফারাজের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসী সেল’ পরিচালনা এবং পুলিশ সদস্য হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও জানানো হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং শরিয়া আইনের বিধান বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই শাস্তি কার্যকর করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।  এদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্ত শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন এবং তাকে নির্যাতনের মাধ্য

সৌদিতে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় ব্যবসায়ীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
সৌদি আরবে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমোদনকারী একটি রাজকীয় আদেশ অনুসারে বুধবার (১ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার মৃত্যুর ঘোষণা দেয়। তার বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অপরাধ আনা হয়েছে।  মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪২ বছর বয়সী সৌদ আল-ফারাজের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তিনি ২০১১ সালের আরব বসন্ত আন্দোলনের সময় পূর্বাঞ্চলের শিয়া অধ্যুষিত কাতিফে গণতান্ত্রিক সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নেন। এই অঞ্চলের শিয়া জনগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের অভিযোগ করে আসছে। এ ছাড়া সৌদ আল-ফারাজের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসী সেল’ পরিচালনা এবং পুলিশ সদস্য হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও জানানো হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং শরিয়া আইনের বিধান বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই শাস্তি কার্যকর করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।  এদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্ত শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন এবং তাকে নির্যাতনের মাধ্যমে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়।  মিথ্যা  স্বীকারোক্তি  আদায়ে তাকে দীর্ঘ ২১ মাস একাকী কারাবাসসহ নানা নির্যাতন করা হয়। এক পর্যায়ে মানসিক ও শারিরীকভাবে ভেঙে পড়ে তিনি দোষ স্বীকার করেন।  আইনি অধিকার গোষ্ঠী রিপ্রিভের জিদ বাসইউনি মিডল ইস্ট আইকে বলেছেন, সৌদি আরবে মোহাম্মদ বিন সালমানের সমালোচনাকারীদের জন্য এটি একটি ভয়াবহ সময়। এ ধরনের শাস্তি মেনে নেওয়া যায় না। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow