স্কুল ফিডিংয়ে মান নিয়ন্ত্রণে শূন্য সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করা হবে
স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে মান নিয়ন্ত্রণে শূন্য সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বাশঁবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের নিম্নমানের খাদ্য বিতরণের অভিযোগ প্রকাশের ঘটনায় তিনি এ মন্তব্য করেন। শুক্রবার (৩ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণীতে তা জানানো হয়। বিবরণী অনুযায়ী, অভিযোগ প্রকাশের পর প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলা শিক্ষা অফিস দ্রুত ঘটনাস্থলে তদন্ত পরিচালনা করে। এতে দেখা যায়, গত ১ জুলাই শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা ১৩৩টি ডিমের মধ্যে ২০টি নিম্নমানের অবস্থায় পাওয়া যায়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যালয়ের গার্ডিয়ান কমিটি খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সুশীলনের নজরে আনে, ফলে তারা এক ঘণ্টার মধ্যেই ত্রুটিপূর্ণ ডিমগুলো অপসারণ করে নতুন ও মানসম্মত ডিম সরবরাহ করে। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপদ ও মানসম্মত খাবার বিতরণ নিশ্চিত করা হয়। আরও পড়ুন স্কুল ফিডিংয়ে শিশুদের দেওয়া হয় পচা ডিম-
স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে মান নিয়ন্ত্রণে শূন্য সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বাশঁবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের নিম্নমানের খাদ্য বিতরণের অভিযোগ প্রকাশের ঘটনায় তিনি এ মন্তব্য করেন। শুক্রবার (৩ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণীতে তা জানানো হয়।
বিবরণী অনুযায়ী, অভিযোগ প্রকাশের পর প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলা শিক্ষা অফিস দ্রুত ঘটনাস্থলে তদন্ত পরিচালনা করে। এতে দেখা যায়, গত ১ জুলাই শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা ১৩৩টি ডিমের মধ্যে ২০টি নিম্নমানের অবস্থায় পাওয়া যায়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যালয়ের গার্ডিয়ান কমিটি খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সুশীলনের নজরে আনে, ফলে তারা এক ঘণ্টার মধ্যেই ত্রুটিপূর্ণ ডিমগুলো অপসারণ করে নতুন ও মানসম্মত ডিম সরবরাহ করে। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপদ ও মানসম্মত খাবার বিতরণ নিশ্চিত করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে মান নিয়ন্ত্রণে শূন্য সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করা হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
ববি হাজ্জাজ জানান, গার্ডিয়ান কমিটি গঠনের উদ্দেশ্যই ছিল শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও খাদ্যের মান নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সরাসরি সম্পৃক্ত করা। বাশঁবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঘটনায় সেই উদ্যোগের কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য নিয়ে আপস করা হবে না। বাশঁবাড়ীয়ার ঘটনাটি প্রমাণ করেছে যে, গার্ডিয়ান কমিটির কার্যকর তদারকির কারণেই ত্রুটিপূর্ণ ডিম বিতরণের আগেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পূর্ণভাবে এড়ানো গেছে।
প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের নির্দেশনায় গত ১৮ মে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে মায়েদের অংশগ্রহণে পাঁচ সদস্যের গার্ডিয়ান কমিটি গঠন করা হয়। স্কুল ফিডিং কার্যক্রমসহ শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণে নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করাই এ কমিটি গঠনের মূল উদ্দেশ্য।
একিউএফ/
What's Your Reaction?
