স্কুলের হোস্টেলে ঢুকে ৪ ছাত্রীকে কামড়াল বিষধর সাপ, একজনের মৃত্যু

একটি আবাসিক স্কুলের হোস্টেলে ঢুকে চার ছাত্রীকে কামড় দিয়েছে বিষধর সাপ। সাপের কামড়ে ১৩ বছর বয়সী এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। অন্য তিন ছাত্রী গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সম্প্রতি ভারতের ঝাড়খণ্ডের লোহারদাগা জেলায় ঘটেছে মর্মান্তিক এই ঘটনা। জানা যায়, জেলার রোচো মাহুয়াতোলি এলাকার সানভাসিরা হায়ার সেকেন্ডারি রেসিডেন্সিয়াল স্কুলে গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে এই ঘটনা ঘটে। বিষধর ওই সাপটি ‘কালাচ’ (ক্রেইট) প্রজাতির ছিল। আরও পড়ুন রাস্তার মধ্যে গোখরা সাপ, ৩০ মিনিট বন্ধ যান চলাচল পুলিশ ও স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, রাতের খাবার শেষে ছাত্রীরা হোস্টেলের কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েছিল। রাত ১১টার দিকে একটি বিষধর কালাচ সাপ কক্ষটিতে প্রবেশ করে। সাপটি প্রথমে বর্ষা ওরাওঁ নামের এক ছাত্রীকে কামড় দেয়। কামড় খেয়ে বর্ষা চিৎকার করে উঠলে ঘরের অন্য ছাত্রীদের ঘুম ভেঙে যায়। তবে কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই সাপটি একে একে অনীষা ওরাওঁ, মনীষা কুমারী এবং ফুলমনি ওরাওঁ নামের আরও তিন ছাত্রীকে কামড়ে দেয়। আরও পড়ুন ফ্ল্যাটে সাপের গোপন খামার, অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলে বেরিয়ে এল রহস্য ছাত্রীদের চিৎকার শুনে শিক্ষকরা দ্রুত ঘটনাস্

স্কুলের হোস্টেলে ঢুকে ৪ ছাত্রীকে কামড়াল বিষধর সাপ, একজনের মৃত্যু

একটি আবাসিক স্কুলের হোস্টেলে ঢুকে চার ছাত্রীকে কামড় দিয়েছে বিষধর সাপ। সাপের কামড়ে ১৩ বছর বয়সী এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। অন্য তিন ছাত্রী গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সম্প্রতি ভারতের ঝাড়খণ্ডের লোহারদাগা জেলায় ঘটেছে মর্মান্তিক এই ঘটনা।

জানা যায়, জেলার রোচো মাহুয়াতোলি এলাকার সানভাসিরা হায়ার সেকেন্ডারি রেসিডেন্সিয়াল স্কুলে গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে এই ঘটনা ঘটে। বিষধর ওই সাপটি ‘কালাচ’ (ক্রেইট) প্রজাতির ছিল।

পুলিশ ও স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, রাতের খাবার শেষে ছাত্রীরা হোস্টেলের কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েছিল। রাত ১১টার দিকে একটি বিষধর কালাচ সাপ কক্ষটিতে প্রবেশ করে। সাপটি প্রথমে বর্ষা ওরাওঁ নামের এক ছাত্রীকে কামড় দেয়।

কামড় খেয়ে বর্ষা চিৎকার করে উঠলে ঘরের অন্য ছাত্রীদের ঘুম ভেঙে যায়। তবে কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই সাপটি একে একে অনীষা ওরাওঁ, মনীষা কুমারী এবং ফুলমনি ওরাওঁ নামের আরও তিন ছাত্রীকে কামড়ে দেয়।

ছাত্রীদের চিৎকার শুনে শিক্ষকরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা রাতেই চার ছাত্রীকে লোহারদাগা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা বর্ষাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাকি তিন ছাত্রীর মধ্যে ফুলমনির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাঁচির রাজেন্দ্র ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসে (রিমস) পাঠানো হয়েছে। অন্য দুই ছাত্রী লোহারদাগা সদর হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
কেএএ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow