স্ট্রাইকার সংকট সমাধানে ফ্লিকের সামনে এখন ৬ বিকল্প
রবার্ট লেভানডভস্কি বার্সেলোনা ছেড়েছেন এবং ফেরান তোরেসের ভবিষ্যৎ এখনো ঝুলন্ত। এমন সংকটের মুখে প্রাক-মৌসুমের প্রথম দিন থেকেই একজন খাঁটি স্ট্রাইকারের অভাববোধ করছেন বার্সা কোচ হান্সি ফ্লিক।
অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার হুলিয়ান আলভারেজকে দলে ভেড়াতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কাতালানরা। তবে এখন পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান থেকে অনড় মাদ্রিদের ক্লাবটি, কোনোভাবেই নিজেদের তারকাকে হাতছাড়া করতে রাজি নয় তারা।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’ জানিয়েছে, সম্ভাব্য প্রতিটি পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য সমাধান খুঁজছেন কোচ ফ্লিক। সেই লক্ষ্যে ‘ফলস নাইন’ পজিশনের জন্য তার হাতে এখন বেশ কয়েকটি নাম রয়েছে রয়েছে।
যদিও এই পজিশনে একাধিকবার খেলেছেন দানি ওলমো। বার্সেলোনার যুব একাডেমিতে খাঁটি ফরোয়ার্ড হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেও পরে তিনি অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার কিংবা উইঙ্গার হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলেন। ফলে এই পজিশনটি তার জন্য একেবারেই অচেনা নয়, বিশেষ করে গোল করার সহজাত ক্ষমতা তো তার রয়েছেই।
বার্সেলোনা একাডেমির আরেক সৃষ্টি ফেরমিন লোপেজ মূলত একজন জেনুইন মিডফিল্ডার হলেও ফলস নাইনের দৌড়ে তিনিও আছেন।
রবার্ট লেভানডভস্কি বার্সেলোনা ছেড়েছেন এবং ফেরান তোরেসের ভবিষ্যৎ এখনো ঝুলন্ত। এমন সংকটের মুখে প্রাক-মৌসুমের প্রথম দিন থেকেই একজন খাঁটি স্ট্রাইকারের অভাববোধ করছেন বার্সা কোচ হান্সি ফ্লিক।
অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার হুলিয়ান আলভারেজকে দলে ভেড়াতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কাতালানরা। তবে এখন পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান থেকে অনড় মাদ্রিদের ক্লাবটি, কোনোভাবেই নিজেদের তারকাকে হাতছাড়া করতে রাজি নয় তারা।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’ জানিয়েছে, সম্ভাব্য প্রতিটি পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য সমাধান খুঁজছেন কোচ ফ্লিক। সেই লক্ষ্যে ‘ফলস নাইন’ পজিশনের জন্য তার হাতে এখন বেশ কয়েকটি নাম রয়েছে রয়েছে।
যদিও এই পজিশনে একাধিকবার খেলেছেন দানি ওলমো। বার্সেলোনার যুব একাডেমিতে খাঁটি ফরোয়ার্ড হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেও পরে তিনি অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার কিংবা উইঙ্গার হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলেন। ফলে এই পজিশনটি তার জন্য একেবারেই অচেনা নয়, বিশেষ করে গোল করার সহজাত ক্ষমতা তো তার রয়েছেই।
বার্সেলোনা একাডেমির আরেক সৃষ্টি ফেরমিন লোপেজ মূলত একজন জেনুইন মিডফিল্ডার হলেও ফলস নাইনের দৌড়ে তিনিও আছেন। তার একটি বিশেষ গুণ হলো দূর থেকে শট নেওয়ার প্রবণতা। সরাসরি আক্রমণাত্মক খেলা, বল নিয়ে সামনে এগোনোর সক্ষমতা এবং নিখুঁত গোল করার ক্ষুধা তাকে শক্তিশালী এক প্রতিযোগীতে পরিণত করেছে, যদিও ফ্লিক এখনো তাকে এই পজিশনে পরীক্ষা করে দেখেননি।
এ ছাড়া ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনহার খেলার ধরন ও ট্যাকটিক্যাল নড়াচড়াকে ক্লাবের কারিগরি মূল্যায়নে ফলস নাইনের আদর্শ মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এই পজিশনে ইতোমধ্যে দুবার খেলে ফেলা তরুণ বিস্ময় লামিনে ইয়ামালও রয়েছেন বিবেচনায়।
ক্লাবের নতুন সাইনিংগুলোর ক্ষেত্রেও একই ছক দেখা যাচ্ছে। লেভানডভস্কির বিদায় এবং তোরেসের সম্ভাব্য দলবদলের পর যখন স্পোর্টিং ডিরেক্টর ডেকো বিকল্পের খোঁজে ট্রান্সফার মার্কেটে নামেন, তখন তিনি মূলত সেন্টার-ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলতে সক্ষম এমন উইঙ্গারদেরই প্রাধান্য দিয়েছেন। এ কারণেই নিউক্যাসলের হয়ে সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলে আসা অ্যান্থনি গর্ডন এবং ডর্টমুন্ডের কারিম আদেইয়েমিকে দলে ভিড়িয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে ফেরান তোরেস নিজেও কিন্তু কোনো জেনুইন স্ট্রাইকার নন। একজন ফলস নাইনের কাছে যেসব গুণ দেখতে চান, সবই সাবেক এই ভ্যালেন্সিয়া তারকার মধ্যে রয়েছে। প্রাক-মৌসুমে ফ্লিক দুই উদীয়মান তরুণ ইব্রাহিমা তোনকারা এবং তোনি ফার্নান্দেজকেও এই পজিশনে পরখ করে দেখেছেন।
সূত্র: গোল ডট কম