স্ত্রী হত্যার ৩ দিন পর স্বামী গ্রেফতার

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে বাজার করে দেওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে স্ত্রী শিরিনা আক্তারকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত স্বামী হাবিবুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (২৮ জুন) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার তিন দিন পর শনিবার গভীর রাতে ফুলপুর উপজেলার সরচাপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা একটি বাড়ির দরজা ভেঙে তাকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার গভীর রাতে ফুলপুর উপজেলার সরচাপুর গ্রামের মনো পাইকারের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। গ্রেফতার এড়াতে হাবিবুর রহমান মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে সেখানে আত্মগোপনে ছিলেন। পরে পুলিশ বাড়ির দরজা ভেঙে তাকে আটক করে। স্থানীয়রা জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে উপজেলার কৈচাপুর ইউনিয়নের জুগাবিলাকান্দা গ্রামের একটি ধানখেতে বাজার করে দেওয়ার কথা বলে দ্বিতীয় স্ত্রী শিরিনা আক্তারকে নিয়ে যান হাবিবুর রহমান। সেখানে বাজারের বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি কোদাল দিয়ে শিরিনার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে অভিযুক্ত স্বামী পালি

স্ত্রী হত্যার ৩ দিন পর স্বামী গ্রেফতার

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে বাজার করে দেওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে স্ত্রী শিরিনা আক্তারকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত স্বামী হাবিবুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (২৮ জুন) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার তিন দিন পর শনিবার গভীর রাতে ফুলপুর উপজেলার সরচাপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা একটি বাড়ির দরজা ভেঙে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার গভীর রাতে ফুলপুর উপজেলার সরচাপুর গ্রামের মনো পাইকারের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। গ্রেফতার এড়াতে হাবিবুর রহমান মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে সেখানে আত্মগোপনে ছিলেন। পরে পুলিশ বাড়ির দরজা ভেঙে তাকে আটক করে।

স্থানীয়রা জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে উপজেলার কৈচাপুর ইউনিয়নের জুগাবিলাকান্দা গ্রামের একটি ধানখেতে বাজার করে দেওয়ার কথা বলে দ্বিতীয় স্ত্রী শিরিনা আক্তারকে নিয়ে যান হাবিবুর রহমান। সেখানে বাজারের বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি কোদাল দিয়ে শিরিনার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে অভিযুক্ত স্বামী পালিয়ে যান। ঘটনার রাতেই নিহত শিরিনার বোন মমতা বাদী হয়ে হাবিবুর রহমানকে আসামি করে হালুয়াঘাট থানায় হত্যা মামলা করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, হাবিবুর রহমানের দুই স্ত্রী ছিল এবং তারা পৃথক বাড়িতে বসবাস করতেন। কয়েকদিন ধরে সংসারের প্রয়োজনীয় বাজার-সদাইয়ের জন্য স্বামীর কাছে দাবি জানিয়ে আসছিলেন শিরিনা আক্তার। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল।

হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম জাগো নিউজকে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হাবিবুর রহমান স্ত্রীকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

হোসাইন সুলভ/এএইচ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow