স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

বরিশালে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) বরিশালের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোস্তাক আহমেদ এ রায় দেন নিশ্চিত করেছন বেঞ্চ সহকারী শাহ আলম খান। দণ্ডিত শহিদ হাওলাদার (৪৭) রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। শহিদ বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দেউলী গ্রামের বাসিন্দা মৃত আলী হাওলাদারের ছেলে। মামলার বরাতে বেঞ্চ সহকারী শাহ আলম খান বলেন, মামলার বাদী মাজেদা বেগমের কন্যা মাহিনুর বেগমের সঙ্গে ২০০৬ সালে শহিদ হাওলাদারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর মাহিনুরের একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। সন্তানের জন্মের পর যৌতুকের দাবিতে শহিদ মাহিনুরের সঙ্গে সংসার করবে না জানিয়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকেন। একপর্যায়ে ২০১৩ সালের ২২ অক্টোবর রাতে মাহিনুরের হাত-পা ও মুখ বেঁধে নির্যাতনের এক পর্যায়ে তার শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মাজেদা বেগম বাদী হয়ে আটজনকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা কর

স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

বরিশালে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২ মার্চ) বরিশালের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোস্তাক আহমেদ এ রায় দেন নিশ্চিত করেছন বেঞ্চ সহকারী শাহ আলম খান।

দণ্ডিত শহিদ হাওলাদার (৪৭) রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। শহিদ বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দেউলী গ্রামের বাসিন্দা মৃত আলী হাওলাদারের ছেলে।

মামলার বরাতে বেঞ্চ সহকারী শাহ আলম খান বলেন, মামলার বাদী মাজেদা বেগমের কন্যা মাহিনুর বেগমের সঙ্গে ২০০৬ সালে শহিদ হাওলাদারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর মাহিনুরের একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। সন্তানের জন্মের পর যৌতুকের দাবিতে শহিদ মাহিনুরের সঙ্গে সংসার করবে না জানিয়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকেন।

একপর্যায়ে ২০১৩ সালের ২২ অক্টোবর রাতে মাহিনুরের হাত-পা ও মুখ বেঁধে নির্যাতনের এক পর্যায়ে তার শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় মাজেদা বেগম বাদী হয়ে আটজনকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। বরিশাল জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই খলিলুর রহমান ২০১৫ সালের ২৩ মার্চ তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।

বিচারক সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে শহিদ হাওলাদারকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করেন। এ ছাড়া অপর দুইজনকে খালাস দিয়েছেন।

শাওন খান/এমএন/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow