স্ত্রীকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখার অভিযোগে স্বামী গ্রেফতার

মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার করিমপুর এলাকায় স্ত্রীকে হত্যা করে বাড়ির পাশেই মাটিচাপা দিয়ে স্বজনদের কাছে তিনি প্রবাসে চলে গেছেন বলে প্রচার করেছিলেন স্বামী। তবে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে অসংগতিপূর্ণ তথ্য ধরা পড়লে শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রায় ১০ ফুট গভীর মাটি খুঁড়ে প্রায় দুই ঘণ্টার অভিযানে উদ্ধার করা হয় গৃহবধূর মরদেহ। সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার করিমপুর এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা খনন শেষে নিহত জায়েদা বেগমের (৪০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে উৎসুক শত শত মানুষের ভিড় জমে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে প্রায় ১৮ দিন আগে স্ত্রী জায়েদা বেগমকে হত্যা করেন আলমগীর হোসেন। পরে বাড়ির পাশেই গোপনে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে তিনি স্বজন ও প্রতিবেশীদের জানান, তার স্ত্রী প্রবাসে চলে গেছেন। দিনের পর দিন মেয়ের কোনো খোঁজ না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন স্বজনরা। বারবার আলমগীরের কাছে জানতে চাইলে তিনি একই দাবি করে আসছিলেন। পরে কোনো উপায় না পেয়ে গত ৩ জুলাই রাজনগর থানা

স্ত্রীকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখার অভিযোগে স্বামী গ্রেফতার

মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার করিমপুর এলাকায় স্ত্রীকে হত্যা করে বাড়ির পাশেই মাটিচাপা দিয়ে স্বজনদের কাছে তিনি প্রবাসে চলে গেছেন বলে প্রচার করেছিলেন স্বামী। তবে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে অসংগতিপূর্ণ তথ্য ধরা পড়লে শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রায় ১০ ফুট গভীর মাটি খুঁড়ে প্রায় দুই ঘণ্টার অভিযানে উদ্ধার করা হয় গৃহবধূর মরদেহ।

সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার করিমপুর এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা খনন শেষে নিহত জায়েদা বেগমের (৪০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে উৎসুক শত শত মানুষের ভিড় জমে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে প্রায় ১৮ দিন আগে স্ত্রী জায়েদা বেগমকে হত্যা করেন আলমগীর হোসেন। পরে বাড়ির পাশেই গোপনে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে তিনি স্বজন ও প্রতিবেশীদের জানান, তার স্ত্রী প্রবাসে চলে গেছেন।

দিনের পর দিন মেয়ের কোনো খোঁজ না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন স্বজনরা। বারবার আলমগীরের কাছে জানতে চাইলে তিনি একই দাবি করে আসছিলেন। পরে কোনো উপায় না পেয়ে গত ৩ জুলাই রাজনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন নিহতের বাবা আব্দুল হান্নান। জিডির পর তদন্তে নেমে পুলিশ সন্দেহের ভিত্তিতে রবিবার (৫ জুলাই) আলমগীর হোসেনকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ মাটিচাপা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সোমবার ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow