স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ উদ্ধারে প্রতিবেশীকে স্বামীর ফোন
গাজীপুরের শ্রীপুরে স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ উদ্ধার করতে প্রতিবেশীকে ফোন দেন ঘাতক স্বামী। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে তালাবদ্ধ ঘর থেকে ঝর্ণা আক্তার নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে শ্রীপুর পুলিশ।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা গ্রামের জংলাপাড়া এলাকার মাসুদ মিয়ার বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ঝর্ণা আক্তার (১৬) শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা গ্রামের জংলাপাড়া গ্রামের হামিদুল ইসলামের মেয়ে। দুই বছর আগে পারিবারিক অমতে অপু নামে এক যুবককে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে স্বামীকে নিয়ে জংলাপাড়া এলাকায় মাসুদ মিয়ার বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী ভাড়া থাকতেন।
নিহত ঝর্ণার বাবা হামিদুল ইসলাম বলেন, দুই বছর আগে পারিবারিক সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে অপু নামে এক যুবককে বিয়ে করে ঝর্ণা। এরপর পর থেকে ঝর্ণার সঙ্গে পারিবারিক কোনো সম্পর্ক ছিল না। স্বামীকে নিয়ে বাড়ির আশপাশে ভাড়া থাকত তারা। স্বামী তাকওয়া পরিবহনে মিনিবাস চালক ছিলেন বলে জানতাম।
বাড়ির মালিক লাভলী আক্তার বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় ঝর্ণা-অপু দম্পতির পূর্বের বাড়ির প্রতিবেশী তানিয়াকে মোবাইল ফোনে ঝর্ণাকে হত্যা করা হয়েছে, লাশ দ্রুত উ
গাজীপুরের শ্রীপুরে স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ উদ্ধার করতে প্রতিবেশীকে ফোন দেন ঘাতক স্বামী। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে তালাবদ্ধ ঘর থেকে ঝর্ণা আক্তার নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে শ্রীপুর পুলিশ।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা গ্রামের জংলাপাড়া এলাকার মাসুদ মিয়ার বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ঝর্ণা আক্তার (১৬) শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা গ্রামের জংলাপাড়া গ্রামের হামিদুল ইসলামের মেয়ে। দুই বছর আগে পারিবারিক অমতে অপু নামে এক যুবককে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে স্বামীকে নিয়ে জংলাপাড়া এলাকায় মাসুদ মিয়ার বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী ভাড়া থাকতেন।
নিহত ঝর্ণার বাবা হামিদুল ইসলাম বলেন, দুই বছর আগে পারিবারিক সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে অপু নামে এক যুবককে বিয়ে করে ঝর্ণা। এরপর পর থেকে ঝর্ণার সঙ্গে পারিবারিক কোনো সম্পর্ক ছিল না। স্বামীকে নিয়ে বাড়ির আশপাশে ভাড়া থাকত তারা। স্বামী তাকওয়া পরিবহনে মিনিবাস চালক ছিলেন বলে জানতাম।
বাড়ির মালিক লাভলী আক্তার বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় ঝর্ণা-অপু দম্পতির পূর্বের বাড়ির প্রতিবেশী তানিয়াকে মোবাইল ফোনে ঝর্ণাকে হত্যা করা হয়েছে, লাশ দ্রুত উদ্ধার করতে বলেন স্বামী অপু। তানিয়া সঙ্গে সঙ্গে এসে হত্যার ঘটনাটি আমাকে জানান। বিষয়টি পুলিশে জানালে তারা মরদেহ উদ্ধার করে।
শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ নাছির আহমদ বলেন, খবর পেয়ে ঘরের তালা ভেঙে নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।