স্থানীয় নির্বাচনে ভোটকক্ষে ভোটার বাড়াল ইসি, গেজেট জারি
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষ ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে একটি ভোটকক্ষে আগের তুলনায় বেশি ভোটার ভোট দিতে পারবেন। ভোটার সংখ্যার অনুপাতে ভোটকক্ষ নির্ধারণের নিয়ম সংশোধন করে নতুন গেজেট জারি করেছে ইসি।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এখন থেকে ৬০০ পুরুষ ও ৫০০ নারী ভোটারের জন্য একটি ভোটকক্ষ নির্ধারণ করা হবে।
ভোটার সংখ্যার অনুপাতে ভোটকক্ষ নির্ধারণের আগের নিয়ম সংশোধন করে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ইসি। নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব (নির্বাচন সহায়তা-৩) মো. রশিদ মিয়ার সই করা এক সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গেজেটে বলা হয়- নির্বাচনে সাধারণত গড়ে প্রতি ২ হাজার (দুই হাজার) ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ভোটকক্ষে আগে যেখানে সাধারণভাবে প্রতি ৪০০ জন পুরুষ এবং ৩০০ থেকে ৩৫০ জন নারী ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকক্ষ বরাদ্দ থাকত, সেখানে এখন প্রতি ৬০০ জন পুরুষ ভোটার এবং ৫০০ জন নারী ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকক্ষ নির্ধারণ করা হবে।
উপনির্বাচনের ক্
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষ ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে একটি ভোটকক্ষে আগের তুলনায় বেশি ভোটার ভোট দিতে পারবেন। ভোটার সংখ্যার অনুপাতে ভোটকক্ষ নির্ধারণের নিয়ম সংশোধন করে নতুন গেজেট জারি করেছে ইসি।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এখন থেকে ৬০০ পুরুষ ও ৫০০ নারী ভোটারের জন্য একটি ভোটকক্ষ নির্ধারণ করা হবে।
ভোটার সংখ্যার অনুপাতে ভোটকক্ষ নির্ধারণের আগের নিয়ম সংশোধন করে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ইসি। নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব (নির্বাচন সহায়তা-৩) মো. রশিদ মিয়ার সই করা এক সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গেজেটে বলা হয়- নির্বাচনে সাধারণত গড়ে প্রতি ২ হাজার (দুই হাজার) ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ভোটকক্ষে আগে যেখানে সাধারণভাবে প্রতি ৪০০ জন পুরুষ এবং ৩০০ থেকে ৩৫০ জন নারী ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকক্ষ বরাদ্দ থাকত, সেখানে এখন প্রতি ৬০০ জন পুরুষ ভোটার এবং ৫০০ জন নারী ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকক্ষ নির্ধারণ করা হবে।
উপনির্বাচনের ক্ষেত্রেও ভোটকক্ষ ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে উপনির্বাচনে কোনো একটি পদে ভোটের জন্য ৫০০ জন পুরুষ এবং ৪০০ জন নারী ভোটারের বিপরীতে একটি কক্ষ ব্যবহার করা হতো। নতুন নিয়মে সাধারণ নির্বাচন ও উপনির্বাচন—উভয় ক্ষেত্রেই প্রতি ৬০০ জন পুরুষ ও ৫০০ জন নারী ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকক্ষ বরাদ্দ থাকবে।
নতুন নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, ভোটারদের চাপ কমাতে প্রতিটি ভোটকক্ষে প্রয়োজনে একাধিক গোপন কক্ষ বা মার্কিং প্লেস তৈরি করা যাবে।
এ ছাড়া আগের নিয়ম বহাল রেখে জানানো হয়েছে, প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডের সীমানার ভেতরেই একটি করে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় স্থানীয় প্রয়োজন অনুযায়ী একই ওয়ার্ডে একাধিক ভোটকেন্দ্রও স্থাপন করা যাবে।