স্থানীয় সরকার নির্বাচন: আইন সংশোধনের প্রস্তাব চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট আইন ও আচরণবিধিতে সংশোধনের প্রস্তাব চূড়ান্ত করতে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সভায় সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ আইনে সংশোধনের সুপারিশ চূড়ান্ত করার পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আচরণবিধির সংশোধনী অনুমোদনের বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সকাল ১১টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভা শুরু হয়। বৈঠকে অন্য চার নির্বাচন কমিশনার এবং কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন। ইসি সূত্রে জানা গেছে, সভায় সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ আইনে সংশোধনী এনে সরকারের কাছে সুপারিশ পাঠানোর প্রস্তাব চূড়ান্ত হতে পারে। একই সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আচরণবিধির সংশোধনী অনুমোদনের সম্ভাবনাও রয়েছে। প্রস্তাবিত আচরণবিধিতে গুরুতর লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্টকে লিখিত আদেশে তাৎক্ষণিক অযোগ্য ঘোষণার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী প্রচারের সময়সীমা কমানো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: আইন সংশোধনের প্রস্তাব চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট আইন ও আচরণবিধিতে সংশোধনের প্রস্তাব চূড়ান্ত করতে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সভায় সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ আইনে সংশোধনের সুপারিশ চূড়ান্ত করার পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আচরণবিধির সংশোধনী অনুমোদনের বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সকাল ১১টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভা শুরু হয়। বৈঠকে অন্য চার নির্বাচন কমিশনার এবং কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, সভায় সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ আইনে সংশোধনী এনে সরকারের কাছে সুপারিশ পাঠানোর প্রস্তাব চূড়ান্ত হতে পারে। একই সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আচরণবিধির সংশোধনী অনুমোদনের সম্ভাবনাও রয়েছে।

প্রস্তাবিত আচরণবিধিতে গুরুতর লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্টকে লিখিত আদেশে তাৎক্ষণিক অযোগ্য ঘোষণার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী প্রচারের সময়সীমা কমানো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা নিয়ন্ত্রণ এবং মাইক বা সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহারে বিধিনিষেধের প্রস্তাব রয়েছে।

খসড়া সংশোধনীতে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ব্যক্তি, ঋণখেলাপি ও ঋণখেলাপির জামিনদারদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। পাশাপাশি প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বাড়ানো এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ভোটারের ১ শতাংশ স্বাক্ষর সংগ্রহের শর্ত বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।

এর আগে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, আগামী অক্টোবরের প্রথমার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ধাপ শুরু হতে পারে। এ লক্ষ্যে আগস্টের শেষ দিকে তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্যালট বাক্সসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও জনবল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow