স্পিনে কুপোকাত বাংলাদেশ গুটিয়ে গেল ১৩১ রানেই!

শুরুটা ভালো হলো, এরপর রানের গতিও বেশিরভাগ সময় ঠিক থাকলো। কিন্তু অতি আগ্রাসী হতে গিয়ে ব্যাটাররা একের পর এক উইকেট বিলিয়ে দিতে থাকলেন। এতে করে এক সময় গিয়ে রানের গতিও কমে গেলো, উইকেটও কমতে থাকলো। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় বড় জুটিও হয়নি। সবচেয়ে বড় ৩০ রানের জুটি গড়েন শেখ মেহেদী আর মোস্তাফিজুর রহমান, একাদশ তথা শেষ উইকেটে। তাতে শেষ পর্যন্ত অল্পতেই থেমো গেল বাংলাদেশের ইনিংস। বুধবার চট্টগ্রামের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করা বাংলাদেশ ১৯ ওভারে গুটিয়ে গেছে ১৩১ রানে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন শেখ মেহেদী। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন অ্যাডাম জাম্পা ও জোয়েল ডেভিস। এদিন প্রথম ২ ওভারে ১৮ রান তোলা বাংলাদেশ তৃতীয় ওভারে হারায় প্রথম উইকেট। জনসনের বলে কাভারের উপর দিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন তানজিদ তামিম, কিন্তু টাইমিংটা ঠিকঠাক হয়নি। ক্যাচ গেছে বার্টলেটের হাতে। ফেরার আগে তিনি করেন ৯ বলে ১০ রান। পরের ৬ ওভারে আরও ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। পঞ্চম ওভারে ম্যাট রেনশর বলে তুলে মারতে গিয়ে মিচেল মার্শের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ১৪ বলে ২০ রান করা সাইফ হাসান। এরপর নিজের

স্পিনে কুপোকাত বাংলাদেশ গুটিয়ে গেল ১৩১ রানেই!

শুরুটা ভালো হলো, এরপর রানের গতিও বেশিরভাগ সময় ঠিক থাকলো। কিন্তু অতি আগ্রাসী হতে গিয়ে ব্যাটাররা একের পর এক উইকেট বিলিয়ে দিতে থাকলেন। এতে করে এক সময় গিয়ে রানের গতিও কমে গেলো, উইকেটও কমতে থাকলো। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় বড় জুটিও হয়নি। সবচেয়ে বড় ৩০ রানের জুটি গড়েন শেখ মেহেদী আর মোস্তাফিজুর রহমান, একাদশ তথা শেষ উইকেটে। তাতে শেষ পর্যন্ত অল্পতেই থেমো গেল বাংলাদেশের ইনিংস।

বুধবার চট্টগ্রামের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করা বাংলাদেশ ১৯ ওভারে গুটিয়ে গেছে ১৩১ রানে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন শেখ মেহেদী। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন অ্যাডাম জাম্পা ও জোয়েল ডেভিস।

এদিন প্রথম ২ ওভারে ১৮ রান তোলা বাংলাদেশ তৃতীয় ওভারে হারায় প্রথম উইকেট। জনসনের বলে কাভারের উপর দিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন তানজিদ তামিম, কিন্তু টাইমিংটা ঠিকঠাক হয়নি। ক্যাচ গেছে বার্টলেটের হাতে। ফেরার আগে তিনি করেন ৯ বলে ১০ রান। পরের ৬ ওভারে আরও ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

পঞ্চম ওভারে ম্যাট রেনশর বলে তুলে মারতে গিয়ে মিচেল মার্শের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ১৪ বলে ২০ রান করা সাইফ হাসান। এরপর নিজের টানা দুই ওভারে অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় ও সৌম্য সরকারকে তুলে নেন অ্যাডাম জাম্পা। ৭ম ওভারে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন হৃদয়, আর ৯ম ওভারে ইনসাইড আউট শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ আউট হন সৌম্য।

এরপর পারভেজ হোসেন ইমন, শামীম পাটোয়ারীরাও উইকেটে থিতু হতে পারেননি। বাঁ-হাতি স্পিনার জোয়েল ডেভিসের বলে মিডউইকেট বাউন্ডারিতে কনোলিকে ক্যাচ দিয়েছেন ইমন। ফেরার আগে ১২ বলে ১ বাউন্ডারিতে ১০ রান করেছেন তিনি।

আর ম্যাট রেনশর বল জায়গা বানিয়ে কাভারের ওপর দিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন শামীম। ব্যাটে লেগে বলা জমা হয়েছে উইকেটকিপারের হাতেচ। ১২তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ষষ্ঠ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৪ বলে ১ রান করেছেন শামীম। ১১ থেকে ১৩, টানা তিন ওভারে উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

ইমন ও শামীমের পর সাকলায়েন। ডেভিসের বল তুলে মারতে গিয়ে লং অফে ক্যাচ দিয়েছেন আজই প্রথম আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টি খেলতে নামা এই বোলিং অলরাউন্ডার। তার আগে করেছেন ১ ছক্কায় ১০ বলে ১০ রান।

এরপর রিশাদ হোসেনকে নিয়ে এগোনোর চেষ্টা করেন শেখ মেহেদী। তবে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে রিশাদ লং অফে আউট হয়ে গেলে তাদের জুটি বড় হয়নি। ফেরার আগে করেন ৩ রান। এরপর উইকেটে এসে নিজের দ্বিতীয় বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে দলের রান একশ পূর্ণ করেন শরিফুল ইসলাম। তিনিও আটকে গেছেন আরেকটি ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে। এরপর ১৯তম ওভারের শেষ বলে শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন মোস্তাফিজুর রহমান।

এসকেডি/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow