স্বজনদের কাছে ফিরলেন কুমিরের আক্রমণে নিহত ফাতেমার মা

বাগেরহাটে খানজাহান আলীর (রহ.) মাজার-সংলগ্ন দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে নিহত ফাতেমার মা ফজিলা খাতুন তার পরিবারকে ফিরে পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সব কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরিবারের কাছে তাকে হস্তান্তর করেন। এর আগে ফাতেমা আক্তারের নিহতের খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে মানসিক ভারসাম্যহীন ফজিলা খাতুনের পরিবার ছুটে আসে খানজাহান আলীর (রহ.) এর মাজারে। সেখান থেকে মাজার কর্তৃপক্ষ তাকে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠান। মানসিক ভারসাম্যহীন ফজিলা খাতুনের পারিবারিক জীবনে দুই ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। এর মধ্যে কুমিরের আক্রমণে নিহত ফাতেমা আক্তার ছিল সবার ছোট। আরও পড়ুন: ৬০০ বছরে প্রথমবারের মতো কুমিরশূন্য খানজাহান আলীর মাজারের দিঘিসরানো হলো খানজাহান আলীর মাজারের দিঘির কুমিরটি ফজিলার ছোট ভাই জুয়েল মিয়া বলেন, ‘তিন বছর আগে আমার বোন হারিয়ে গিয়েছিল। আজ বোনকে পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। তবে আমার ভাগনির জন্য কষ্ট লাগছে।’ ফজিলার মা হাজরা খাতুন বলেন, ‘মেয়েকে পেয়ে অনেক ভালো লাগছে। নাতনিকে ফিরে পেলে আরও ভালো লাগতো।’ এ বিষয়ে ইউএনও মোসা.

স্বজনদের কাছে ফিরলেন কুমিরের আক্রমণে নিহত ফাতেমার মা

বাগেরহাটে খানজাহান আলীর (রহ.) মাজার-সংলগ্ন দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে নিহত ফাতেমার মা ফজিলা খাতুন তার পরিবারকে ফিরে পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সব কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরিবারের কাছে তাকে হস্তান্তর করেন।

এর আগে ফাতেমা আক্তারের নিহতের খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে মানসিক ভারসাম্যহীন ফজিলা খাতুনের পরিবার ছুটে আসে খানজাহান আলীর (রহ.) এর মাজারে। সেখান থেকে মাজার কর্তৃপক্ষ তাকে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠান।

মানসিক ভারসাম্যহীন ফজিলা খাতুনের পারিবারিক জীবনে দুই ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। এর মধ্যে কুমিরের আক্রমণে নিহত ফাতেমা আক্তার ছিল সবার ছোট।

আরও পড়ুন:
৬০০ বছরে প্রথমবারের মতো কুমিরশূন্য খানজাহান আলীর মাজারের দিঘি
সরানো হলো খানজাহান আলীর মাজারের দিঘির কুমিরটি

ফজিলার ছোট ভাই জুয়েল মিয়া বলেন, ‘তিন বছর আগে আমার বোন হারিয়ে গিয়েছিল। আজ বোনকে পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। তবে আমার ভাগনির জন্য কষ্ট লাগছে।’

ফজিলার মা হাজরা খাতুন বলেন, ‘মেয়েকে পেয়ে অনেক ভালো লাগছে। নাতনিকে ফিরে পেলে আরও ভালো লাগতো।’

এ বিষয়ে ইউএনও মোসা. আতিয়া খাতুন বলেন, ‘মানসিক ভারসাম্যহীন ফজিলার পরিবার আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে। পরে সমাজসেবা অফিসার, বাগেরহাট সদর মডেল থানার ওসি ও গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে ফজিলাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’

এর আগে সোমবার (১ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দিঘির পূর্ব পাশের ঘাটে গোসল করতে নামলে সাত বছর বয়সী শিশু ফাতেমাকে আক্রমণ করে কুমির। পরে দিঘিতে অনেক খোঁজাখুঁজির পর মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নাহিদ ফরাজী/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow