স্বতন্ত্র প্রার্থীর অনুষ্ঠানে হামলা, খাবার লুট

বাগেরহাটের মোংলায় বিএনপির বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএএইচ সেলিমের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিলে দুর্বৃত্তদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে মোংলা হেলিপ্যাড মাঠে আয়োজিত এ দোয়া মাহফিলে হামলার ঘটনা ঘটে।  আহতরা হলেন— সোবাহান মোল্লা (৩০) ও মো. মাইনুল (২৫)। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেন বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মোংলা) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএএইচ সেলিম। তিনি বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর ও কচুয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন। দোয়া মাহফিলে হামলার পর ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দোয়া মাহফিল শুরুর আগেই একদল দুর্বৃত্ত প্রায় দেড় হাজার মানুষের জন্য প্রস্তুত করা খাবার লুট করে নিয়ে যায় এবং বেশ কিছু খাবার নষ্ট করে ফেলে। এতে বাধা দিতে গেলে দুর্বৃত্তদের হামলায় দুজন আহত হন। হামলার সময় উপস্থিত লোকজন প্রাণ বাঁচাতে মোংলা থানা

স্বতন্ত্র প্রার্থীর অনুষ্ঠানে হামলা, খাবার লুট

বাগেরহাটের মোংলায় বিএনপির বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএএইচ সেলিমের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিলে দুর্বৃত্তদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে মোংলা হেলিপ্যাড মাঠে আয়োজিত এ দোয়া মাহফিলে হামলার ঘটনা ঘটে। 

আহতরা হলেন— সোবাহান মোল্লা (৩০) ও মো. মাইনুল (২৫)।

অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেন বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মোংলা) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএএইচ সেলিম। তিনি বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর ও কচুয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন। দোয়া মাহফিলে হামলার পর ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দোয়া মাহফিল শুরুর আগেই একদল দুর্বৃত্ত প্রায় দেড় হাজার মানুষের জন্য প্রস্তুত করা খাবার লুট করে নিয়ে যায় এবং বেশ কিছু খাবার নষ্ট করে ফেলে। এতে বাধা দিতে গেলে দুর্বৃত্তদের হামলায় দুজন আহত হন। হামলার সময় উপস্থিত লোকজন প্রাণ বাঁচাতে মোংলা থানাসহ আশপাশের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে মোংলা থানা পুলিশ ও নৌবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ফের সংঘর্ষের আশঙ্কায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

হামলায় আহত রামপাল উপজেলার হুড়কা ইউনিয়নের ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি সোবাহান মোল্লা কালবেলাকে জানান, হামলার সময় জীবন বাঁচাতে তিনি মোবাইল ফোন ফেলে থানার ভেতরে আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। 

সোবাহান অভিযোগ করেন, একটি সংঘবদ্ধ দল পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং দোয়া মাহফিলটি বানচাল করতেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা ডেকোরেটর মালিক ও বাবুর্চিদেরও হুমকি-ধামকি দেওয়া হয়েছে।

মোংলার সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেফাতুল ইসলাম কালবেলাকে বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে। বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow