স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন যে ২ জন
সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য বিএনপির অভ্যন্তরীণ আলোচনায় বর্তমানে দুইজন নেতা বিশেষভাবে এগিয়ে রয়েছেন। রাজনৈতিক মহলে জানা গেছে, দলীয় অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দক্ষতা, সাংগঠনিক নেতৃত্ব এবং সংসদীয় প্রভাবকে গুরুত্ব দিয়ে এই দুই নেতাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণের জন্য নয়, বরং সরকারের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং জনগণের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ কক্সবাজার-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত। তিনি দীর্ঘদিন দলের অভ্যন্তরীণ নীতি-প্রক্রিয়া ও জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যোগাযোগ নীতিমালা ও জনগণ ও প্রশাসনের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে তার অভিজ্ঞতা তাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে উপযুক্ত প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরেছে। অপরদিকে নেত্রকোনা-৪ আসনের বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর সরক
সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য বিএনপির অভ্যন্তরীণ আলোচনায় বর্তমানে দুইজন নেতা বিশেষভাবে এগিয়ে রয়েছেন। রাজনৈতিক মহলে জানা গেছে, দলীয় অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দক্ষতা, সাংগঠনিক নেতৃত্ব এবং সংসদীয় প্রভাবকে গুরুত্ব দিয়ে এই দুই নেতাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণের জন্য নয়, বরং সরকারের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং জনগণের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ কক্সবাজার-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত। তিনি দীর্ঘদিন দলের অভ্যন্তরীণ নীতি-প্রক্রিয়া ও জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যোগাযোগ নীতিমালা ও জনগণ ও প্রশাসনের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে তার অভিজ্ঞতা তাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে উপযুক্ত প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরেছে।
অপরদিকে নেত্রকোনা-৪ আসনের বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর সরকারের স্বরাষ্ট্র নীতি ও প্রশাসনিক কাঠামোতে বিশেষ দক্ষতা রাখেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে আলোচনার কেন্দ্রে এনে দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তাঁর নেতৃত্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আধুনিকায়ন ও দক্ষ প্রশাসন নিশ্চিত করতে পারে।
বিএনপির অভ্যন্তরীণ সূত্র জানাচ্ছে, দলীয় নেতৃত্ব উভয় প্রার্থীর কার্যক্রম, রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং অভ্যন্তরীণ সমর্থন পর্যবেক্ষণ করছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সরকারকে স্থিতিশীল ও কার্যকর করার জন্য উপযুক্ত প্রার্থী নির্বাচনের চেষ্টা চলছে। দলীয় সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হবে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচনের প্রক্রিয়া কেবল ব্যক্তির প্রশাসনিক ক্ষমতা নয়, বরং রাজনৈতিক প্রভাব, দলীয় সমর্থন এবং জনসাধারণের গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় নেওয়া হবে। এই পদে দায়িত্ব নেওয়া নেতা সরকারের আইনশৃঙ্খলা, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক দক্ষতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবেন।
দলীয় সূত্র আরও জানাচ্ছে, উভয় প্রার্থীই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরিচালনার জন্য নিজ নিজ পরিকল্পনা ও কৌশল প্রস্তুত রেখেছেন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর সরকারের নিরাপত্তা নীতি এবং অভ্যন্তরীণ প্রশাসনকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে এই পদে নিযুক্ত নেতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
What's Your Reaction?