স্বর্ণের লোভে ডাকাতির নাটক সাজিয়ে শাশুড়ীকে খুন, পুত্রবধূ সহ গ্রেফতার ৩

গাজীপুরে শাশুড়ীকে খুন করে ডাকাতির নাটক সাজিয়ে পুত্রবধু সহ গ্রেফতার ৩ জন। নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারের লোভেই শাশুড়ীকে খুন করে বলে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন পুত্রবধু। গ্রেফতার আসামিরা হলেন- পিরুজালী মধ্যপাড়া গ্রামের নিহত শাশুড়ী আছমা আক্তারের পুত্রবধু আরিফা আক্তার (২৬), পিরুজালী আলিমপাড়া গ্রামের মৃত. আব্দুল মান্নানের ছেলে উজ্জ্বল হোসেন (৪৬) ও মধ্যপাড়া গ্রামের আলম মিয়ার স্ত্রী শাহনাজ বেগম (৪৫)। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুজন রঞ্জন তালুকদার জানান, গত মঙ্গলবার দিবাগত (৮ এপ্রিল) গভীর রাতে গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রামে একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে নিহতের পুত্রবধূ আছমা আক্তার দাবি করেন—গভীর রাতে তাদের বাড়িতে ডাকাত দল হানা দেয় এবং ডাকাতদের হামলায় তার শাশুড়ির মৃত্যু হয়। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্তে নামে পুলিশের একটি চৌকস টিম। প্রাথমিক তদন্তে পুত্রবধূ আছমা আক্তারের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আছমা আক্তার নিজেই হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করেন

স্বর্ণের লোভে ডাকাতির নাটক সাজিয়ে শাশুড়ীকে খুন, পুত্রবধূ সহ গ্রেফতার ৩

গাজীপুরে শাশুড়ীকে খুন করে ডাকাতির নাটক সাজিয়ে পুত্রবধু সহ গ্রেফতার ৩ জন। নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারের লোভেই শাশুড়ীকে খুন করে বলে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন পুত্রবধু।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন- পিরুজালী মধ্যপাড়া গ্রামের নিহত শাশুড়ী আছমা আক্তারের পুত্রবধু আরিফা আক্তার (২৬), পিরুজালী আলিমপাড়া গ্রামের মৃত. আব্দুল মান্নানের ছেলে উজ্জ্বল হোসেন (৪৬) ও মধ্যপাড়া গ্রামের আলম মিয়ার স্ত্রী শাহনাজ বেগম (৪৫)।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুজন রঞ্জন তালুকদার জানান, গত মঙ্গলবার দিবাগত (৮ এপ্রিল) গভীর রাতে গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রামে একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে নিহতের পুত্রবধূ আছমা আক্তার দাবি করেন—গভীর রাতে তাদের বাড়িতে ডাকাত দল হানা দেয় এবং ডাকাতদের হামলায় তার শাশুড়ির মৃত্যু হয়। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্তে নামে পুলিশের একটি চৌকস টিম। প্রাথমিক তদন্তে পুত্রবধূ আছমা আক্তারের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আছমা আক্তার নিজেই হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করেন এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িত আরও দুজনের নাম প্রকাশ করেন। রাতেই অভিযান চালিয়ে তাদেরকেও আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয়েছে।

এবিষয়ে জয়দেবপুর থানার ওসি ( ভারপ্রাপ্ত) নয়ন কুমার কর জানান, ডাকাতির ঘটনায় পুত্রবধু আছমা আক্তারের আচরণ সন্দেহ জনক মনে হয়। পরবর্তীতে পুলিশ তথ্য- প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামিদের সনাক্ত করে এবং ৩ জনকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার সকালে আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow