স্বাধীনতা দিবসের বার্তায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমিরের ৩ আক্ষেপ
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।একইসঙ্গে ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জনগণ কাঙ্ক্ষিত অধিকার থেকে বঞ্চিত’—এমন তিনটি বিষয়ে আক্ষেপ তুলে ধরে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বুধবার (২৫ মার্চ) দেওয়া এক বিবৃতিতে মামুনুল হক বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার এত বছর পরও দেশের সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত রয়েছে। স্বাধীনতার মূল চেতনা ও লক্ষ্য এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। বিবৃতিতে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের সিপাহী-জনতার বিপ্লব এবং ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময়ে জনগণ স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল পাওয়ার আশায় আন্দোলন করেছে। কিন্তু প্রতিবারই ক্ষমতাসীন কায়েমি স্বার্থবাদী গোষ্ঠীর কারণে সেই প্রত্যাশা উপেক্ষিত হয়েছে। আন্দোলন-সংগ্রামের পরও জনগণের আশা পূরণ না হওয়ার বিষয়টি তার বক্তব্যে দ্বিতীয় আক্ষেপ হিসেবে প্রতিফলিত হয়েছে। বিবৃতিতে ’২৪ সালের জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিপ্লবের পর রাষ্ট্র পুনর্গঠনের দায়িত্বে থাকা
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।একইসঙ্গে ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জনগণ কাঙ্ক্ষিত অধিকার থেকে বঞ্চিত’—এমন তিনটি বিষয়ে আক্ষেপ তুলে ধরে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৫ মার্চ) দেওয়া এক বিবৃতিতে মামুনুল হক বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার এত বছর পরও দেশের সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত রয়েছে। স্বাধীনতার মূল চেতনা ও লক্ষ্য এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের সিপাহী-জনতার বিপ্লব এবং ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময়ে জনগণ স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল পাওয়ার আশায় আন্দোলন করেছে। কিন্তু প্রতিবারই ক্ষমতাসীন কায়েমি স্বার্থবাদী গোষ্ঠীর কারণে সেই প্রত্যাশা উপেক্ষিত হয়েছে। আন্দোলন-সংগ্রামের পরও জনগণের আশা পূরণ না হওয়ার বিষয়টি তার বক্তব্যে দ্বিতীয় আক্ষেপ হিসেবে প্রতিফলিত হয়েছে।
বিবৃতিতে ’২৪ সালের জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিপ্লবের পর রাষ্ট্র পুনর্গঠনের দায়িত্বে থাকা ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের একটি অংশ কায়েমি গোষ্ঠীর প্রভাববলয়ে আবদ্ধ হয়ে পড়ে। বিশেষ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর কাছে আত্মসমর্পণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এতে জনগণের প্রত্যাশা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একইসঙ্গে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে গণভোটের রায় কার্যকর না হওয়া প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন তিনি। গণভোট বাস্তবায়ন ঘিরে ‘এই অনিশ্চয়তা ও টালবাহানা’ তার বক্তব্যে তৃতীয় আক্ষেপ হিসেবে উঠে এসেছে।
বিবৃতির শেষাংশে মাওলানা মামুনুল হক স্বাধীনতা দিবসের চেতনাকে সামনে রেখে ন্যায়, ইনসাফ ও জনগণের প্রকৃত অধিকার প্রতিষ্ঠায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
What's Your Reaction?