স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে অস্ত্রসহ ৩ ডাকাতের আত্মসমর্পণ 

বাগেরহাটের সুন্দরবনে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে অস্ত্র-গুলি জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেছে তিন দস্যু আল আমিন হোসেন, তৈবুর রহমান ও মনিরুজামান মামুন।  বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পশ্চিমজোনের সদর দপ্তরে জোনাল কমান্ডার ক্যাপটেন মেসবাউল ইসলামের হাতে আত্মসমর্পণ করেন তারা। বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। কমান্ডার সাব্বির জানান, সরকারের দিকনির্দেশনায় সুন্দরবন অঞ্চলে সক্রিয় সব বনদস্যু বাহিনী নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলের সাধারণ জেলে, বাওয়ালি ও বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।  এর প্রেক্ষিতে কোনঠাসা হয়ে পড়েছে সুন্দরবনের দস্যুরা। তাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছে তারা। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে সুন্দরবনের তাম্বুলবুনিয়া ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন কলামুলি খাল এলাকায় দস্যু বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্য আলামিন হোসেন, তৈবুর রহমান ও মনিরুজামান মামুন কোস্ট গার্ড সদস্যদের নিকট আত

স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে অস্ত্রসহ ৩ ডাকাতের আত্মসমর্পণ 

বাগেরহাটের সুন্দরবনে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে অস্ত্র-গুলি জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেছে তিন দস্যু আল আমিন হোসেন, তৈবুর রহমান ও মনিরুজামান মামুন। 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পশ্চিমজোনের সদর দপ্তরে জোনাল কমান্ডার ক্যাপটেন মেসবাউল ইসলামের হাতে আত্মসমর্পণ করেন তারা। বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

কমান্ডার সাব্বির জানান, সরকারের দিকনির্দেশনায় সুন্দরবন অঞ্চলে সক্রিয় সব বনদস্যু বাহিনী নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলের সাধারণ জেলে, বাওয়ালি ও বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। 

এর প্রেক্ষিতে কোনঠাসা হয়ে পড়েছে সুন্দরবনের দস্যুরা। তাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছে তারা। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে সুন্দরবনের তাম্বুলবুনিয়া ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন কলামুলি খাল এলাকায় দস্যু বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্য আলামিন হোসেন, তৈবুর রহমান ও মনিরুজামান মামুন কোস্ট গার্ড সদস্যদের নিকট আত্মসমর্পণ করেন। 

এসময় তারা ২টি দেশীয় একনলা বন্দুক, ১টি দেশীয় পাইপগান, ৪০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ১টি ওয়াকিটকি কোস্টগার্ড সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করেন। এর আগে  সুন্দরবনের কুখ্যাত দস্যু ছোট সুমন বাহিনী তার সহযোগীসহ সর্বমোট সাতজন সদস্য অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কোস্ট গার্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করেছেন।

কোস্টগার্ডের এ কর্মকর্তা আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল এসব দস্যুরা।

কোস্টগার্ড সূত্র বলছে, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত ৪৯ টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ রাউন্ড তাজা গোলা, ৩১৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ১০৮ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ১৯৪ রাউন্ড এয়ারগান গোলা ও ২টি ওয়াকিটকি উদ্ধার এবং ৪২ জন বনদস্যুকে আটক করে কোস্টগার্ড। এসময় দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা মোট ৪১ জনকে জীবিত উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা প্রদান শেষে নিরাপদে তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণের সময় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, পুলিশ ও র‌্যার সদস্য এবং মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমি উপস্থিত ছিলেন।  
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow