স্বামী-স্ত্রী জামাতে নামাজ পড়লে ইকামত কে দেবেন?
প্রশ্ন: স্বামী-স্ত্রী জামাতে নামাজ পড়লে ইকামত কে দেবেন? স্বামী নাকি স্ত্রী? আর তাদের জামাতে স্ত্রী স্বামীর কোন পাশে দাঁড়াবেন? উত্তর: স্বামী ও স্ত্রী যদি জামাত করে কোনো ফরজ নামাজ আদায় করেন, তাহলে ইমামতি স্বামী করবেন, ইকামতও স্বামীই দেবেন। (রদ্দুল মুহতার: ১/৫৭২) কারণ আজান-ইকামত দেওয়া পুরুষদের কাজ। নারীদের আজান-ইকামত দেওয়া মাকরুহ। হযরত আসমা বিনতে আবু বকর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন, নারীদের ওপর আজান, ইকামত, জুমা এবং (জুমার জন্য) গোসল করা আবশ্যক নয়। আর নারীদের জামাতে কোনো নারী তাদের সামনে দাঁড়াবে না, বরং সে তাদের মাঝখানে একই কাতারে দাঁড়াবে। (সুনানে বায়হাকি: ২/১৬৯) শুধু নারীরা জামাত করে নামাজ আদায় করলে আজান-ইকামত ছাড়াই নামাজ আদায় করবেন। উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত রয়েছে তিনি বলেন, আমরা (নারীদের জামাতে) ইকামত ছাড়া নামাজ আদায় করতাম। (সুনানে বায়হাকি: ২/১১৭) আরও পড়ুন নামাজের ফরজ কয়টি? স্বামী-স্ত্রীর জামাতে স্ত্রী স্বামীর ডান পাশে দাঁড়াবেন অর্থাৎ ইমাম (স্বামী) মুক্তাদির (স্ত্রীর) বাম পাশে থাকবেন। আবদুল্লাহ বিন উতবা
প্রশ্ন: স্বামী-স্ত্রী জামাতে নামাজ পড়লে ইকামত কে দেবেন? স্বামী নাকি স্ত্রী? আর তাদের জামাতে স্ত্রী স্বামীর কোন পাশে দাঁড়াবেন?
উত্তর: স্বামী ও স্ত্রী যদি জামাত করে কোনো ফরজ নামাজ আদায় করেন, তাহলে ইমামতি স্বামী করবেন, ইকামতও স্বামীই দেবেন। (রদ্দুল মুহতার: ১/৫৭২)
কারণ আজান-ইকামত দেওয়া পুরুষদের কাজ। নারীদের আজান-ইকামত দেওয়া মাকরুহ।
হযরত আসমা বিনতে আবু বকর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন, নারীদের ওপর আজান, ইকামত, জুমা এবং (জুমার জন্য) গোসল করা আবশ্যক নয়। আর নারীদের জামাতে কোনো নারী তাদের সামনে দাঁড়াবে না, বরং সে তাদের মাঝখানে একই কাতারে দাঁড়াবে। (সুনানে বায়হাকি: ২/১৬৯)
শুধু নারীরা জামাত করে নামাজ আদায় করলে আজান-ইকামত ছাড়াই নামাজ আদায় করবেন। উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত রয়েছে তিনি বলেন, আমরা (নারীদের জামাতে) ইকামত ছাড়া নামাজ আদায় করতাম। (সুনানে বায়হাকি: ২/১১৭)

নামাজের ফরজ কয়টি?
স্বামী-স্ত্রীর জামাতে স্ত্রী স্বামীর ডান পাশে দাঁড়াবেন অর্থাৎ ইমাম (স্বামী) মুক্তাদির (স্ত্রীর) বাম পাশে থাকবেন।
আবদুল্লাহ বিন উতবা (রহ.) বলেন, আমি এক দুপুরে ওমরের (রা.) কাছে উপস্থিত হলাম। তখন তিনি নফল নামাজ পড়ছিলেন। তিনি আমাকে নামাজের জন্য তার বরাবর ডান পাশে দাঁড় করালেন। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক)
স্ত্রী (মুক্তাদি) স্বামীর (ইমাম) ডান পাশে কিছুটা পিছিয়ে কমপক্ষে স্বামীর গোড়ালির পেছনে দাঁড়াবেন। একদম সমান সমান দাঁড়াবেন না। একদম বরাবর দাঁড়ালে নামাজ হবে না।

নারী-পুরুষের নামাজের ৩ পার্থক্য
উল্লেখ্য, পুরুষের জন্য মসজিদে গিয়ে জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। গ্রহণযোগ্য ওজর ছাড়া জামাত ছেড়ে দেওয়া গুনাহের কাজ। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে জামাতে নামাজ আদায়ের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, তোমরা নামাজ আদায় করো ও জাকাত দাও এবং রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু করো (সুরা বাকারা: ৪৩)
রাসুলুল্লাহ (সা.) জামাতে নামাজ আদায়ে গাফিলতির ব্যাপারে সতর্ক করে বলেছেন, যে ব্যক্তি আজান শুনল এবং কোনো অপারগতা না থাকা সত্ত্বেও জামাতে উপস্থিত হলো না, তার নামাজ হবে না। (সুনানে ইবনে মাজাহ: ৭৯৩)
তবে কখনও কোনো কারণে মসজিদে যেতে না পারলে বাসায় স্ত্রীকে নিয়ে জামাতে নামাজ আদায় করা যেতে পারে।
ওএফএফ
What's Your Reaction?