স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রীর যাবজ্জীবন

সিরাজগঞ্জ সদরে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী ইসরাত জাহান ইমাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক নজরুল ইসলাম এই আদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ইসরাত জাহান ইমা একই জেলার কামারখন্দ উপজেলার মুগবেলাই গ্রামের নূরনবী আকন্দের মেয়ে। আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি হামিদুল ইসলাম দুলাল এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ২০১২ সালে সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের কল্যাণী পূর্বপাড়া গ্রামের আব্দুস সায়েমের সঙ্গে ইসরাত জাহান ইমার বিয়ে হয়। এ বিয়ের পূর্ব থেকেই সায়েম সিলেটে পূবালী ব্যাংকে সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করতেন। এই সুযোগে ইসরাত জাহান ইমা প্রতিবেশী শাহাদতসহ একাধিক পুরুষের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলতেন। পরে এ বিষয়টি আব্দুস সায়েম জানার পর দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। তিনি জানান, পরবর্তী ২০২২ সালের ৮ জুলাই আব্দুস সায়েম ঈদুল আযহা পালনের জন্য বাড়িতে আসেন। এদিন বিকেলে সায়েম গোসল করে ঘরে ফিরলে স্ত্রী ইমা তাকে ঘুমের ওষুধ মিশ্রিত শরবত খেতে দেন

স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রীর যাবজ্জীবন

সিরাজগঞ্জ সদরে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী ইসরাত জাহান ইমাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক নজরুল ইসলাম এই আদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ইসরাত জাহান ইমা একই জেলার কামারখন্দ উপজেলার মুগবেলাই গ্রামের নূরনবী আকন্দের মেয়ে।

আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি হামিদুল ইসলাম দুলাল এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ২০১২ সালে সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের কল্যাণী পূর্বপাড়া গ্রামের আব্দুস সায়েমের সঙ্গে ইসরাত জাহান ইমার বিয়ে হয়। এ বিয়ের পূর্ব থেকেই সায়েম সিলেটে পূবালী ব্যাংকে সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করতেন। এই সুযোগে ইসরাত জাহান ইমা প্রতিবেশী শাহাদতসহ একাধিক পুরুষের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলতেন। পরে এ বিষয়টি আব্দুস সায়েম জানার পর দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

তিনি জানান, পরবর্তী ২০২২ সালের ৮ জুলাই আব্দুস সায়েম ঈদুল আযহা পালনের জন্য বাড়িতে আসেন। এদিন বিকেলে সায়েম গোসল করে ঘরে ফিরলে স্ত্রী ইমা তাকে ঘুমের ওষুধ মিশ্রিত শরবত খেতে দেন। এতে সে ঘুমিয়ে পড়ে। এরপর ইমা রাতে সেভেন আপের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে বাড়ির সবাইকে খাইয়ে দেন। তারাও ঘুমিয়ে পড়ে। এরই এক পর্যায়ে ইমা গভীর রাতে অজ্ঞাত দুই-তিনজনের সহযোগিতায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে স্বামী আব্দুস সায়েমকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

পরে এ ঘটনায় নিহতের বাবা শেখ ফরিদ বাদী হয়ে পুত্রবধূ ইসরাত জাহান ইমার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয়ে দুই-তিন জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এ মামলার দীর্ঘ স্বাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ইসরাত জাহান ইমাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

এম এ মালেক/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow