স্বামীর সহযোগিতায় আস্তানায় স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন ‘সাধু বাবা’

রাজশাহীর বেলপুকুর এলাকায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে ‘সাধু বাবা’ পরিচয়ে পরিচিত এক ফকিরের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ফকির বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সোমবার (১৮ মে) রাজশাহী মহানগরীর বেলপুকুর থানাধীন চক ধাঁধাস এলাকায় ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। অভিযুক্ত মো. হামিদ ফকির (৬৭) মৃত পাচু মণ্ডলের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি বাড়ির পাশের একটি বাগানের ভেতরে আস্তানা গড়ে দীর্ঘদিন ধরে সাধু পরিচয়ে অবস্থান করতেন এবং এলাকায় ‘সাধু বাবা’ নামে পরিচিত ছিলেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী (৩০) নতুন জামিরা (আমকোমড়) এলাকার বাসিন্দা। তার স্বামী মো. রুবেল (৩৫) হামিদ ফকিরের ভক্ত হওয়ায় স্বামী ও স্ত্রীর ওই আস্তানায় নিয়মিত যাতায়াত ছিল। অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রায় ১৪ থেকে ১৫ দিন আগে স্বামীর সহযোগিতায় কৌশলে হামিদ ফকির তাকে ধর্ষণ করেন। তবে নির্দিষ্ট ঘটনার তারিখ উল্লেখ করতে পারেননি ভুক্তভোগী নারী। পুলিশ সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী নারী প্রথমে থানায় অভিযোগ না দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং সংবাদ সম্মেল

স্বামীর সহযোগিতায় আস্তানায় স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন ‘সাধু বাবা’
রাজশাহীর বেলপুকুর এলাকায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে ‘সাধু বাবা’ পরিচয়ে পরিচিত এক ফকিরের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ফকির বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সোমবার (১৮ মে) রাজশাহী মহানগরীর বেলপুকুর থানাধীন চক ধাঁধাস এলাকায় ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। অভিযুক্ত মো. হামিদ ফকির (৬৭) মৃত পাচু মণ্ডলের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি বাড়ির পাশের একটি বাগানের ভেতরে আস্তানা গড়ে দীর্ঘদিন ধরে সাধু পরিচয়ে অবস্থান করতেন এবং এলাকায় ‘সাধু বাবা’ নামে পরিচিত ছিলেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী (৩০) নতুন জামিরা (আমকোমড়) এলাকার বাসিন্দা। তার স্বামী মো. রুবেল (৩৫) হামিদ ফকিরের ভক্ত হওয়ায় স্বামী ও স্ত্রীর ওই আস্তানায় নিয়মিত যাতায়াত ছিল। অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রায় ১৪ থেকে ১৫ দিন আগে স্বামীর সহযোগিতায় কৌশলে হামিদ ফকির তাকে ধর্ষণ করেন। তবে নির্দিষ্ট ঘটনার তারিখ উল্লেখ করতে পারেননি ভুক্তভোগী নারী। পুলিশ সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী নারী প্রথমে থানায় অভিযোগ না দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং সংবাদ সম্মেলন করেন। পরে বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়। ঘটনার পর সোমবার বেলপুকুর থানায় ধর্ষণ মামলার এজাহার দায়ের করা হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, হামিদ ফকির দেশের বিভিন্ন লালন আখড়া ও সাধু-সংঘের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। এ কারণে এলাকায় তার অনুসারীও ছিল। বেলপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফারুক হোসেন কালবেলাকে জানান, ভুক্তভোগী নারীর স্বামীকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow