স্বামীর হাত-পা-মুখ বেঁধে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ‘ধর্ষণ’
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে এক গৃহবধূকে (২০) স্বামীর সামনে থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় দুর্বৃত্তরা গৃহবধূর স্বামীর হাত-পা ও মুখ বেঁধে মারধর করে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা। মঙ্গলবার (১৬ জুন) উপজেলার পাগলা থানাধীন নিগুয়ারী ইউনিয়নের কুরচাই গ্রামে গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, ওই গৃহবধূ দীর্ঘদিন ধরে তার মায়ের বাড়িতে স্বামী ও তিন বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে বসবাস করছিলেন। পরিবারের সদস্যরা পৃথক কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত প্রায় ১টার দিকে ৭ থেকে ৮ জনের একটি মুখোশধারী সংঘবদ্ধ দল বাড়িতে প্রবেশ করে। ঘরে ঢুকেই দুর্বৃত্তরা গৃহবধূর স্বামীকে জিম্মি করে তার হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে এবং বেধড়ক মারধর করে। স্বামীকে রক্ষার চেষ্টা করলে গৃহবধূকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবারের দাবি, দুর্বৃত্তরা গৃহবধূকে বাড়ি থেকে প্রায় দেড়শ মিটার দূরে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে তাকে ফেলে রেখে চলে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে স্বজন ও প্রতিবেশীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে এক গৃহবধূকে (২০) স্বামীর সামনে থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় দুর্বৃত্তরা গৃহবধূর স্বামীর হাত-পা ও মুখ বেঁধে মারধর করে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) উপজেলার পাগলা থানাধীন নিগুয়ারী ইউনিয়নের কুরচাই গ্রামে গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, ওই গৃহবধূ দীর্ঘদিন ধরে তার মায়ের বাড়িতে স্বামী ও তিন বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে বসবাস করছিলেন। পরিবারের সদস্যরা পৃথক কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত প্রায় ১টার দিকে ৭ থেকে ৮ জনের একটি মুখোশধারী সংঘবদ্ধ দল বাড়িতে প্রবেশ করে। ঘরে ঢুকেই দুর্বৃত্তরা গৃহবধূর স্বামীকে জিম্মি করে তার হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে এবং বেধড়ক মারধর করে। স্বামীকে রক্ষার চেষ্টা করলে গৃহবধূকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
পরিবারের দাবি, দুর্বৃত্তরা গৃহবধূকে বাড়ি থেকে প্রায় দেড়শ মিটার দূরে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে তাকে ফেলে রেখে চলে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে স্বজন ও প্রতিবেশীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন এবং পরে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে ভুক্তভোগী গৃহবধূর মা পাগলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুক্তভোগীর মা বলেন, আমি একজন অসহায় মা। আমার স্বামী প্রতিবন্ধী ছিলেন, তিনি মারা গেছেন। অনেক কষ্ট করে মেয়েকে নিয়ে জীবনযাপন করছি। যারা আমার মেয়ের সর্বনাশ করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, ভুক্তভোগীরা অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে পেরেছেন এবং প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিবেশীদের কেউ এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ ইতোমধ্যে অভিযান শুরু করেছে।
What's Your Reaction?