স্বাস্থ্য নিয়ে করা নিউ ইয়ার রেজল্যুশনগুলো কেন ব্যর্থ হয়

চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই নতুন বছরের সাতটা দিন কেটে গেলো। ২০২৬-এ পা দেওয়ার আগে লাখ লাখ মানুষের মতো আপনিও কি স্বাস্থ্য নিয়ে নিউ ইয়ার রেজল্যুশন করেছিলেন? নিজের সঙ্গে করা সেই সংকল্প কি টিকিয়ে রাখতে পারছেন? নতুন বছর আসলে সারা পৃথিবীতে অনেকেই বড় বড় স্বাস্থ্য ঠিক করার, স্বাস্থ্যকর খাবার ও অভ্যাস করার, ওজন কমানোর প্রতিজ্ঞা করেন। কেউ ভাবেন একদম চিনি খাবেন না, কেউ ভাবেন প্রতিদিন জিম করবেন। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ যেতে না যেতেই সেই সংকল্পগুলো হারিয়ে যায়। কিন্তু কেন? ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক–এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক একটি বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমস্যাটা ইচ্ছার অভাব নয়। সমস্যা হলো আমরা খুব বেশি কঠিন লক্ষ্য বেছে নিই। গবেষণা বলছে, স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য নাটকীয় পরিবর্তনের দরকার নেই। বরং ছোট, বাস্তবসম্মত ও নিয়মিত অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে বেশি উপকার করে। যেমন হতে পারে সেই ছোট ছোট অভ্যাসগুলো - ১. নাস্তা জটিল না করাই ভালো সকালবেলার নাস্তা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তার দরকার নেই। নিয়মিত সময়ে, প্রোটিনসমৃদ্ধ সহজ নাস্তা খেলে ওজন ও হার্ট দুটোই ভালো থাকে। প্রতিদিন নতুন রেসিপি বা ট্রেন্ডি খাবারের পেছনে ছোটার দর

স্বাস্থ্য নিয়ে করা নিউ ইয়ার রেজল্যুশনগুলো কেন ব্যর্থ হয়

চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই নতুন বছরের সাতটা দিন কেটে গেলো। ২০২৬-এ পা দেওয়ার আগে লাখ লাখ মানুষের মতো আপনিও কি স্বাস্থ্য নিয়ে নিউ ইয়ার রেজল্যুশন করেছিলেন? নিজের সঙ্গে করা সেই সংকল্প কি টিকিয়ে রাখতে পারছেন?

নতুন বছর আসলে সারা পৃথিবীতে অনেকেই বড় বড় স্বাস্থ্য ঠিক করার, স্বাস্থ্যকর খাবার ও অভ্যাস করার, ওজন কমানোর প্রতিজ্ঞা করেন। কেউ ভাবেন একদম চিনি খাবেন না, কেউ ভাবেন প্রতিদিন জিম করবেন। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ যেতে না যেতেই সেই সংকল্পগুলো হারিয়ে যায়। কিন্তু কেন?

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক–এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক একটি বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমস্যাটা ইচ্ছার অভাব নয়। সমস্যা হলো আমরা খুব বেশি কঠিন লক্ষ্য বেছে নিই।

স্বাস্থ্য নিয়ে করা নিউ ইয়ার রেজল্যুশনগুলো কেন ব্যর্থ হয়

গবেষণা বলছে, স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য নাটকীয় পরিবর্তনের দরকার নেই। বরং ছোট, বাস্তবসম্মত ও নিয়মিত অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে বেশি উপকার করে। যেমন হতে পারে সেই ছোট ছোট অভ্যাসগুলো -

১. নাস্তা জটিল না করাই ভালো

সকালবেলার নাস্তা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তার দরকার নেই। নিয়মিত সময়ে, প্রোটিনসমৃদ্ধ সহজ নাস্তা খেলে ওজন ও হার্ট দুটোই ভালো থাকে। প্রতিদিন নতুন রেসিপি বা ট্রেন্ডি খাবারের পেছনে ছোটার দরকার নেই।

২. সম্পর্কই আসল সুপারফুড

পরিবার, বন্ধু বা কাছের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটানো মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ জরুরি। গবেষণা বলছে, ভালো সামাজিক সম্পর্ক মানসিক চাপ কমায়, শরীরের প্রদাহ কমায়, এমনকি অকাল মৃত্যুর ঝুঁকিও কমাতে পারে।

স্বাস্থ্য নিয়ে করা নিউ ইয়ার রেজল্যুশনগুলো কেন ব্যর্থ হয়

৩. ডায়েট কমানোর আগে পেশি শক্ত করুন

অনেকেই নতুন বছরে ক্যালরি কমানোর পরিকল্পনা করেন। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, কড়া ডায়েটের আগে হালকা ব্যায়াম শুরু করা ভালো। এতে পেশি ঠিক থাকে, শরীরের বিপাকক্রিয়া সচল থাকে এবং স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ধরে রাখা সহজ হয়।

যেগুলো নিয়ে একটু সাবধান

সবকিছুতেই ট্রেন্ড অনুসরণ করা ভালো নয়। শুধু প্রোবায়োটিক খেলেই অন্ত্র ভালো হয়ে যাবে — এধরণের কথার পক্ষে কোনো জোরালো প্রমাণ নেই। আবার সোশ্যাল মিডিয়ার ইনফ্লুয়েন্সারদের রুটিন সবার জন্য কাজ করে না। অতিরিক্ত প্রোটিন নিয়েও অযথা চিন্তা অনেক সময় খাবার নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়।

স্বাস্থ্য নিয়ে করা নিউ ইয়ার রেজল্যুশনগুলো কেন ব্যর্থ হয়

সব মিলিয়ে গবেষকদের কথা খুব সহজ - স্বাস্থ্য মানে হঠাৎ বড় পরিবর্তন নয়। নিজের জীবনের সঙ্গে মানানসই ছোট অভ্যাসই সবচেয়ে কার্যকর। যে পরিবর্তন আপনি দীর্ঘদিন ধরে রাখতে পারবেন, সেটাই আসলে সবচেয়ে ভালো রেজল্যুশন।

সূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক

এএমপি/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow