সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর
চট্টগ্রাম নগরীতে মোটরসাইকেল ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে স্বামী-স্ত্রী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মুরাদপুর কনভেনশন হলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- মো. নাজিম উদ্দিন (৪৮) ও তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার (৪০)। নাজিম উদ্দিনের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানের ডাবুয়া এলাকার তালুকদার বাড়িতে। তিনি পরিবারসহ নগরের চকবাজার থানার ডিসি রোডের হাজী বিল্ডিং এলাকায় বসবাস করতেন।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে মুরাদপুর এলাকায় কাভার্ডভ্যান চাপা দিলে মোটরসাইকেলটির আরোহী স্বামী-স্ত্রী উভয়ে গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে পথচারীরা দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
চমেক হাসপাতাল সূত্র জানায়, দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ দুটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়।
পথচারী শহিদুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে চিকিৎসক তাদের বাঁচাতে পারেননি।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদু
চট্টগ্রাম নগরীতে মোটরসাইকেল ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে স্বামী-স্ত্রী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মুরাদপুর কনভেনশন হলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- মো. নাজিম উদ্দিন (৪৮) ও তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার (৪০)। নাজিম উদ্দিনের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানের ডাবুয়া এলাকার তালুকদার বাড়িতে। তিনি পরিবারসহ নগরের চকবাজার থানার ডিসি রোডের হাজী বিল্ডিং এলাকায় বসবাস করতেন।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে মুরাদপুর এলাকায় কাভার্ডভ্যান চাপা দিলে মোটরসাইকেলটির আরোহী স্বামী-স্ত্রী উভয়ে গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে পথচারীরা দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
চমেক হাসপাতাল সূত্র জানায়, দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ দুটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়।
পথচারী শহিদুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে চিকিৎসক তাদের বাঁচাতে পারেননি।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুল কবির কালবেলাকে বলেন, নিহতের স্বজনরা থানায় আছেন। প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।