সড়কে বর্জ্যের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পথচারীরা

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া পৌরসভার বর্জ্য অপসারণের নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় সড়কে ফেলা হচ্ছে বর্জ্য। এর থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার কারণে অসহনীয় ভোগান্তিতে পথচারীরা। এই ময়লার নানা প্রকার পোকামাকড়ের উপদ্রবে পরিবেশ দূষণে পড়েছে সাধারণ মানুষ।  পৌর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় কোটালীপাড়া পৌরসভা। ১০ দশমিক ৯৬ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বর্তমানে প্রায় ১৮ হাজার ০৯৪ জন মানুষের বসবাস। পৌরসভাটি ২০০৭ সালে দ্বিতীয় শ্রেণিতে এবং ২০১৬ সালে প্রথম শ্রেণিতে উন্নিত হয়। কিন্তু দীর্ঘ ২৯ বছরেও এখন পর্যন্ত পৌর কর্তৃপক্ষ ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য নির্মাণ করতে পারেনি বর্জ্য শোধনাগার; যে কারণে ময়লা ফেলার জন্য কোনো নির্দিষ্ট স্থান না নেই। এতে দীর্ঘ দিন ধরে ময়লা ফেলা হচ্ছে পাড়কোনা পৌরবাস টার্মিনালের সংলগ্ন কোটালীপাড়া-রাজৈর সড়কের পাশে।  এভাবে খোলা জায়গা ও সড়কের পাশে ময়লা ফেলার কারণে দুর্গন্ধে চরম বিড়ম্বনায় যাত্রী-চালকসহ সাধারণ পথচারী পাশের আশ্রয়ন প্রকল্পের লোকজনসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।  প্রথম শ্রেণির একটি পৌরসভা থেকে ময়লা ফেলানোর একটা নির্ধারিত জায়গা না থাকায় সাবেক পৌর মেয়রদেরকে দায়ী করছেন পৌরবাসী। এই পথে নিয়

সড়কে বর্জ্যের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পথচারীরা
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া পৌরসভার বর্জ্য অপসারণের নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় সড়কে ফেলা হচ্ছে বর্জ্য। এর থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার কারণে অসহনীয় ভোগান্তিতে পথচারীরা। এই ময়লার নানা প্রকার পোকামাকড়ের উপদ্রবে পরিবেশ দূষণে পড়েছে সাধারণ মানুষ।  পৌর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় কোটালীপাড়া পৌরসভা। ১০ দশমিক ৯৬ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বর্তমানে প্রায় ১৮ হাজার ০৯৪ জন মানুষের বসবাস। পৌরসভাটি ২০০৭ সালে দ্বিতীয় শ্রেণিতে এবং ২০১৬ সালে প্রথম শ্রেণিতে উন্নিত হয়। কিন্তু দীর্ঘ ২৯ বছরেও এখন পর্যন্ত পৌর কর্তৃপক্ষ ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য নির্মাণ করতে পারেনি বর্জ্য শোধনাগার; যে কারণে ময়লা ফেলার জন্য কোনো নির্দিষ্ট স্থান না নেই। এতে দীর্ঘ দিন ধরে ময়লা ফেলা হচ্ছে পাড়কোনা পৌরবাস টার্মিনালের সংলগ্ন কোটালীপাড়া-রাজৈর সড়কের পাশে।  এভাবে খোলা জায়গা ও সড়কের পাশে ময়লা ফেলার কারণে দুর্গন্ধে চরম বিড়ম্বনায় যাত্রী-চালকসহ সাধারণ পথচারী পাশের আশ্রয়ন প্রকল্পের লোকজনসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।  প্রথম শ্রেণির একটি পৌরসভা থেকে ময়লা ফেলানোর একটা নির্ধারিত জায়গা না থাকায় সাবেক পৌর মেয়রদেরকে দায়ী করছেন পৌরবাসী। এই পথে নিয়মিত চলাচলকারী মাহিন্দ্রা ও ভ্যান চালকেরা বলেন, বিভিন্ন সময় আগুন দিয়ে এই আবর্জনা পোড়ানো হয়। তখন দুর্গন্ধের পাশাপাশি ধোঁয়ায় সড়ক আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। বর্তমানে পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাগুফতা হক বলেন, এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলতে স্থানীয়দের সচেতন করা হবে বলেও জানান তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow