হকি-কাবাডি-অ্যাথলেটিকসে সোনার পর এবার ক্রিকেট বিশ্বকাপ বাছাইয়ে জয়িতা
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে বহুমাত্রিক প্রতিভার এক উজ্জ্বল নাম জুয়াইরিয়া ফেরদৌস জয়িতা। হকি, কাবাডি ও অ্যাথলেটিকসে স্বর্ণজয়ের পর এবার ক্রিকেটেই নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছেন তিনি। নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের জন্য ঘোষিত ১৫ সদস্যের দলে প্রথমবারের মতো জায়গা পেয়েছেন জয়িতা, যা তার বহুক্রীড়াভিত্তিক ক্যারিয়ারে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
গত বৃহস্পতিবার নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইয়ের স্কোয়াড ঘোষণা করে বিসিবি। সেই দলে নতুন মুখ জয়িতা। ক্রিকেটে আসার আগে তার পরিচিতি ছিল হকি খেলোয়াড় হিসেবে। জাতীয় দলের হয়ে দুটি সিরিজও খেলেছেন তিনি। পাশাপাশি কাবাডি ও অ্যাথলেটিকসের থ্রো ইভেন্টেও নিয়মিত সাফল্য দেখিয়েছেন। ২০২৩ সালে দ্বিতীয় যুব গেমসে একই দিনে তিনটি ভিন্ন খেলায় সোনা জিতে দেশজুড়ে আলোচনায় আসেন এই ক্রীড়াবিদ।
ক্রিকেটে জয়িতার পথচলাও ধীরে ধীরে দৃঢ় হয়েছে। গত বছর অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে ছয় ইনিংসে ব্যাট করে করেন ৭০ রান। এরপর ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স তার জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার পথ সহজ করে দেয়। সর্বশেষ এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে সাত ইনিংসে ১৩১.২৫ স্ট্রাইক রেটে তার ব্যাট থেকে আসে ১৮৯ রান।
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে বহুমাত্রিক প্রতিভার এক উজ্জ্বল নাম জুয়াইরিয়া ফেরদৌস জয়িতা। হকি, কাবাডি ও অ্যাথলেটিকসে স্বর্ণজয়ের পর এবার ক্রিকেটেই নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছেন তিনি। নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের জন্য ঘোষিত ১৫ সদস্যের দলে প্রথমবারের মতো জায়গা পেয়েছেন জয়িতা, যা তার বহুক্রীড়াভিত্তিক ক্যারিয়ারে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
গত বৃহস্পতিবার নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইয়ের স্কোয়াড ঘোষণা করে বিসিবি। সেই দলে নতুন মুখ জয়িতা। ক্রিকেটে আসার আগে তার পরিচিতি ছিল হকি খেলোয়াড় হিসেবে। জাতীয় দলের হয়ে দুটি সিরিজও খেলেছেন তিনি। পাশাপাশি কাবাডি ও অ্যাথলেটিকসের থ্রো ইভেন্টেও নিয়মিত সাফল্য দেখিয়েছেন। ২০২৩ সালে দ্বিতীয় যুব গেমসে একই দিনে তিনটি ভিন্ন খেলায় সোনা জিতে দেশজুড়ে আলোচনায় আসেন এই ক্রীড়াবিদ।
ক্রিকেটে জয়িতার পথচলাও ধীরে ধীরে দৃঢ় হয়েছে। গত বছর অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে ছয় ইনিংসে ব্যাট করে করেন ৭০ রান। এরপর ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স তার জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার পথ সহজ করে দেয়। সর্বশেষ এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে সাত ইনিংসে ১৩১.২৫ স্ট্রাইক রেটে তার ব্যাট থেকে আসে ১৮৯ রান।
এই পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতায় বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্রাথমিক ২০ জনের ক্যাম্পে ডাক পান জয়িতা। সেখান থেকে চূড়ান্ত দলে জায়গা করে নেওয়াটাকে তার উন্নতির স্বাভাবিক ফল বলেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
নারী দলের নির্বাচক সাজ্জাদ শিপন জানিয়েছেন, টিম ম্যানেজমেন্ট জয়িতাকে বাছাইপর্বে নিয়মিত খেলানোর কথাই ভাবছে। তিনি বলেন, “জয়িতার মধ্যে ভালো প্রতিভা আছে। তার ব্যাটে পাওয়ার রয়েছে। ওপেনিংয়ের জন্যই মূলত তাকে বিবেচনা করা হয়েছে। পাওয়ার প্লেতে যদি সে ভালো শুরু এনে দিতে পারে, সেটা দলের জন্য বড় সহায়তা হবে। আমরা বিশ্বাস করি, সে সেই সক্ষমতা রাখে।”
ক্রিকেটে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হলে জয়িতা এক অনন্য কীর্তিও গড়বেন। তখন তিনি হকি, কাবাডি, অ্যাথলেটিকস ও ক্রিকেট—চারটি ভিন্ন খেলায় দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ক্রীড়াবিদে পরিণত হবেন। বহুমুখী এই যাত্রায় এখন তাঁর সামনে নতুন স্বপ্ন—ক্রিকেট বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করা।