হজযাত্রীদের জন্য কাজ করছে সরকার, খরচ আরও কমানোর ঘোষণা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি বছরের হজ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে তিনি রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আশকোনা হজ ক্যাম্প পরিদর্শন করে হজযাত্রীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রী প্রথমে রাত ১০টা ৫০ মিনিটে হজ ক্যাম্পে পৌঁছে হাজিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং একটি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম হজ ফ্লাইটে উঠে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের নিরাপদ যাত্রার জন্য দোয়া করেন। এ সময় তিনি হজযাত্রীদের দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য প্রার্থনা করার অনুরোধ জানান। প্রথম হজ ফ্লাইটটি রাত ১২টা ২০ মিনিটে ৪১৮ জন যাত্রী নিয়ে সৌদি আরবের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ধর্ম মন্ত্রণালয় জানায়, প্রথম দিনে মোট ১৪টি ফ্লাইট পরিচালিত হবে—এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৬টি, সৌদিয়া ও ফ্লাইনাসের ফ্লাইট রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালন করবেন। এর মধ্যে ৪ হাজার ৫৬৫ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং বাকি ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি হজ এজেন্সির মাধ্যমে যাবেন। চুক্তি অনুযায়ী, মোট যাত্রীর ৫০
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি বছরের হজ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে তিনি রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আশকোনা হজ ক্যাম্প পরিদর্শন করে হজযাত্রীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
প্রধানমন্ত্রী প্রথমে রাত ১০টা ৫০ মিনিটে হজ ক্যাম্পে পৌঁছে হাজিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং একটি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম হজ ফ্লাইটে উঠে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের নিরাপদ যাত্রার জন্য দোয়া করেন। এ সময় তিনি হজযাত্রীদের দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য প্রার্থনা করার অনুরোধ জানান।
প্রথম হজ ফ্লাইটটি রাত ১২টা ২০ মিনিটে ৪১৮ জন যাত্রী নিয়ে সৌদি আরবের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ধর্ম মন্ত্রণালয় জানায়, প্রথম দিনে মোট ১৪টি ফ্লাইট পরিচালিত হবে—এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৬টি, সৌদিয়া ও ফ্লাইনাসের ফ্লাইট রয়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালন করবেন। এর মধ্যে ৪ হাজার ৫৬৫ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং বাকি ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি হজ এজেন্সির মাধ্যমে যাবেন। চুক্তি অনুযায়ী, মোট যাত্রীর ৫০ শতাংশ পরিবহন করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং বাকি অংশ বহন করবে সৌদিয়া ও ফ্লাইনাস।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা জানান, এ বছর হজ ব্যবস্থাপনা আগের তুলনায় আরও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় হজের প্রস্তুতি অনেকটাই সম্পন্ন ছিল। তারপরও খরচ কমাতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার ফলে এবার হজ প্যাকেজে প্রায় ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত কমানো সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খরচ কমানো ও যাত্রীদের ভোগান্তি কমানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। হজ শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়ে ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।
What's Your Reaction?