হজে যাওয়া হলো না ইসাহাক আলীর, সড়কে ঝরল প্রাণ
সব প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল, আর কদিন বাদেই পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরব যাওয়ার কথা ছিল ইসাহাক আলীর (৭৫)। বাড়িতে চলছিল আনন্দ আয়োজন। কিন্তু এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা সব আনন্দ বিষাদে পরিণত করল। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পার্বতীপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কের সাইনবোর্ডের খোদা হাফেজ মোড় এলাকায় বাসচাপায় প্রাণ হারিয়েছেন তিনি। নিহত ইসাহাক আলী দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বেলাইচন্ডী ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া গ্রামের মৃত ইব্রাহিম প্রামাণিকের ছেলে। পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, এবারের হজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সব প্রক্রিয়া শেষ করেছিলেন ইসাহাক আলী। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার রাতে বাড়িতে সন্তানদের নিয়ে পিঠাপুলি ও বিশেষ দাওয়াতের আয়োজন করা হয়েছিল। বাবার বাড়িতে এসেছিলেন তিন মেয়েসহ নিকটাত্মীয়রা। সেই অনুষ্ঠানের পিঠার আটা তৈরির জন্য বিকেলে সাইকেল নিয়ে পার্শ্ববর্তী চৌমুহনী বাজারে গিয়েছিলেন তিনি। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে পেছন থেকে আসা একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাস তাকে ধাক্কা দেয়। এতে সাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অশ্রুশিক্ত কণ্ঠে নিহ
সব প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল, আর কদিন বাদেই পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরব যাওয়ার কথা ছিল ইসাহাক আলীর (৭৫)। বাড়িতে চলছিল আনন্দ আয়োজন। কিন্তু এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা সব আনন্দ বিষাদে পরিণত করল। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পার্বতীপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কের সাইনবোর্ডের খোদা হাফেজ মোড় এলাকায় বাসচাপায় প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।
নিহত ইসাহাক আলী দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বেলাইচন্ডী ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া গ্রামের মৃত ইব্রাহিম প্রামাণিকের ছেলে।
পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, এবারের হজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সব প্রক্রিয়া শেষ করেছিলেন ইসাহাক আলী। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার রাতে বাড়িতে সন্তানদের নিয়ে পিঠাপুলি ও বিশেষ দাওয়াতের আয়োজন করা হয়েছিল। বাবার বাড়িতে এসেছিলেন তিন মেয়েসহ নিকটাত্মীয়রা। সেই অনুষ্ঠানের পিঠার আটা তৈরির জন্য বিকেলে সাইকেল নিয়ে পার্শ্ববর্তী চৌমুহনী বাজারে গিয়েছিলেন তিনি। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে পেছন থেকে আসা একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাস তাকে ধাক্কা দেয়। এতে সাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
অশ্রুশিক্ত কণ্ঠে নিহতের ছেলে এজাজুল হক বলেন, বাবা হজে যাবেন বলে বাড়িতে উৎসবের আমেজ ছিল। বোনরা সবাই এসেছিল। কিন্তু পিঠার আটা নিয়ে বাবা আর বেঁচে ফিরলেন না। আমাদের সব আনন্দ এক নিমিষেই শেষ হয়ে গেল।
বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নৃপেন্দ্র নাথ রায় জানান, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
What's Your Reaction?