হঠাৎ কেন উত্তেজনার মধ্যেই বৈঠকে বসছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র?

ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্টের পতাকাবাহী ট্যাংক দখলের চেষ্টা ও মার্কিন রণতরীর অভিমুখে ড্রোন হামলা করেছে। অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হুঙ্কার- সবমিলিয়ে পারমাণবিক আলোচনার উজ্জ্বল সম্ভাবনা প্রায় ম্লান। তবে সব জল্পনা ভেঙে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র আগামী শুক্রবার ওমানে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে।   প্রথমে ইস্তাম্বুলে বৈঠকের কথা থাকলেও তেহরানের প্রস্তাবের পর স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। এদিকে ওয়াশিংটন পরমাণু, ক্ষেপণাস্ত্র ও মানবাধিকার ইস্যুতে আলোচনা করতে চাইলেও ইরান কেবল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে কথা বলতে আগ্রহী। আলোচনার মূল বিষয়বস্তু নির্ধারণ নিয়েই এখন বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাদের পরমাণু কর্মসূচি এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ছাড়া অন্যকোনো বিষয়ে তারা আলোচনা করবে না। বিশেষ করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি কিংবা মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রভাব বা উপস্থিতির মতো বিষয়গুলো আলোচনার টেবিলের বাইরে রাখার দাবি জানিয়েছে তারা। তবে এই অচলাবস্থা কাটাতে একটি ‘অনাক্রমণ চুক্তি’ বা Non-aggression Pact এর ধারণা সামনে এসেছে, যার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের বিরুদ্

হঠাৎ কেন উত্তেজনার মধ্যেই বৈঠকে বসছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র?
ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্টের পতাকাবাহী ট্যাংক দখলের চেষ্টা ও মার্কিন রণতরীর অভিমুখে ড্রোন হামলা করেছে। অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হুঙ্কার- সবমিলিয়ে পারমাণবিক আলোচনার উজ্জ্বল সম্ভাবনা প্রায় ম্লান। তবে সব জল্পনা ভেঙে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র আগামী শুক্রবার ওমানে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে।   প্রথমে ইস্তাম্বুলে বৈঠকের কথা থাকলেও তেহরানের প্রস্তাবের পর স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। এদিকে ওয়াশিংটন পরমাণু, ক্ষেপণাস্ত্র ও মানবাধিকার ইস্যুতে আলোচনা করতে চাইলেও ইরান কেবল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে কথা বলতে আগ্রহী। আলোচনার মূল বিষয়বস্তু নির্ধারণ নিয়েই এখন বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাদের পরমাণু কর্মসূচি এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ছাড়া অন্যকোনো বিষয়ে তারা আলোচনা করবে না। বিশেষ করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি কিংবা মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রভাব বা উপস্থিতির মতো বিষয়গুলো আলোচনার টেবিলের বাইরে রাখার দাবি জানিয়েছে তারা। তবে এই অচলাবস্থা কাটাতে একটি ‘অনাক্রমণ চুক্তি’ বা Non-aggression Pact এর ধারণা সামনে এসেছে, যার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি ব্যবহার না করার অঙ্গীকার করবে। যদিও তেহরান বা ওয়াশিংটন- কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত এই প্রস্তাবের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের ইতিবাচক কোনো সাড়া দেয়নি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow