হত্যাচেষ্টা মামলার আসামিকে পিটিয়ে হত্যা
ঢাকার নবাবগঞ্জে সাবেক এক সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্যকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি মিঠুনকে (৩২) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার দুর্গাপুর বাজার সংলগ্ন ছাতিয়া ব্রিজের ঢালে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটায়।
নিহত মিঠুন উপজেলার আগলা ইউনিয়নের ছাতিয়া গ্রামের কিম্মত আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত মিঠুন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে এলাকায় চুরি ও মাদকসেবনসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ ছিল। গত বছরের মে মাসে আগলা ইউনিয়নের সাবেক সংরক্ষিত সদস্য ডলি বেগমের বাড়ি থেকে দুটি মোবাইল চুরির ঘটনায় মিঠুনসহ কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়। একটি মোবাইল ফেরত দিলেও অন্যটি নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে ডলি বেগমের ওপর হামলা চালায় ওই চক্রটি। গত ২৬ মার্চ ডলি বেগমকে চাকু দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। ওই ঘটনায় করা হত্যাচেষ্টা মামলার তিন নম্বর আসামি ছিলেন মিঠুন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ডলি মেম্বারকে হামলার পর থেকে মিঠুন পলাতক ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি দুর্গাপুর বাজার সংলগ্ন ছাতিয়া-দুর্গাপুর ব্রিজে অবস্থান করছিলেন। এ সময় পূর্বশত্রুতার জের ধরে একদল লোক তাকে ধরে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ফেলে রেখে যা
ঢাকার নবাবগঞ্জে সাবেক এক সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্যকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি মিঠুনকে (৩২) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার দুর্গাপুর বাজার সংলগ্ন ছাতিয়া ব্রিজের ঢালে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটায়।
নিহত মিঠুন উপজেলার আগলা ইউনিয়নের ছাতিয়া গ্রামের কিম্মত আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত মিঠুন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে এলাকায় চুরি ও মাদকসেবনসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ ছিল। গত বছরের মে মাসে আগলা ইউনিয়নের সাবেক সংরক্ষিত সদস্য ডলি বেগমের বাড়ি থেকে দুটি মোবাইল চুরির ঘটনায় মিঠুনসহ কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়। একটি মোবাইল ফেরত দিলেও অন্যটি নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে ডলি বেগমের ওপর হামলা চালায় ওই চক্রটি। গত ২৬ মার্চ ডলি বেগমকে চাকু দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। ওই ঘটনায় করা হত্যাচেষ্টা মামলার তিন নম্বর আসামি ছিলেন মিঠুন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ডলি মেম্বারকে হামলার পর থেকে মিঠুন পলাতক ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি দুর্গাপুর বাজার সংলগ্ন ছাতিয়া-দুর্গাপুর ব্রিজে অবস্থান করছিলেন। এ সময় পূর্বশত্রুতার জের ধরে একদল লোক তাকে ধরে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ফেলে রেখে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে এ ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ একজনকে আটক করেছে।
নবাবগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছি। এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।