হবিগঞ্জে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হাম রোগী, আইসোলেশন সেন্টার চালু

হবিগঞ্জে হাম রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়ে চলেছে। এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ৩৮ হাম রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৯ রোগী। হাম রোগীদের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে৷ হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল ইসলাম সরকার কালবেলাকে জানান, প্রতিদিনই নতুন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি মোকাবেলায় হাসপাতালের নতুন ভবনের ৬ষ্ঠ তলায় একটি আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে। সেখানে আক্রান্তদের আলাদা রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে। এদিকে হাম রোগে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ১০ বেডের আইসোলেশন সেন্টার নিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷  তিনি আরও বলেন, হাম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা হাঁচি-কাশির মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে শিশুদের মধ্যে৷ বর্তমানে ৯ জন আক্রান্ত শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে৷ ভর্তিকৃত সকল রোগীকেই হাম রোগীদের জন্য নির্ধারিত আইসোলেশন সেন্টারে স্থানান্তরিত করা হয়েছে৷ যেভাবে হাম আক্রান্ত রোগী আসছে, ১০ বেডের আইসোলেশন সেন্টারে স্থান সংকুলান হবে না৷ এদিকে, জেলা স

হবিগঞ্জে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হাম রোগী, আইসোলেশন সেন্টার চালু

হবিগঞ্জে হাম রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়ে চলেছে। এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ৩৮ হাম রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৯ রোগী। হাম রোগীদের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে৷

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল ইসলাম সরকার কালবেলাকে জানান, প্রতিদিনই নতুন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি মোকাবেলায় হাসপাতালের নতুন ভবনের ৬ষ্ঠ তলায় একটি আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে। সেখানে আক্রান্তদের আলাদা রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে। এদিকে হাম রোগে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ১০ বেডের আইসোলেশন সেন্টার নিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷ 

তিনি আরও বলেন, হাম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা হাঁচি-কাশির মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে শিশুদের মধ্যে৷ বর্তমানে ৯ জন আক্রান্ত শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে৷ ভর্তিকৃত সকল রোগীকেই হাম রোগীদের জন্য নির্ধারিত আইসোলেশন সেন্টারে স্থানান্তরিত করা হয়েছে৷ যেভাবে হাম আক্রান্ত রোগী আসছে, ১০ বেডের আইসোলেশন সেন্টারে স্থান সংকুলান হবে না৷

এদিকে, জেলা সদর হাসপাতালে হাম রোগে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে হাসপাতালের ৬ষ্ঠ তলায় অবস্থিত আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তিকৃত রোগীদেরকে দেখতে যান জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ, হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. জাবেদ জিল্লুল বারী, সিভিল সার্জন ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল হক সরকার ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেসুর রহমান উজ্জ্বল৷ এসময় তারা রোগীদের খোঁজখবর নেন৷ হাম রোগীদের স্থান সংকুলানের জন্য একইসঙ্গে ১০ বেডের আইসোলেশন সেন্টারটিতে সিট বাড়ানো হবে জানান৷

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মৌসুমি পরিবর্তনের এই সময়ে শিশুদের মধ্যে হাম সংক্রমণ বেশি দেখা দিচ্ছে। আক্রান্তদের বেশিরভাগই শিশু ও কিশোর। অনেক ক্ষেত্রে টিকা না নেওয়া বা অপূর্ণ টিকাদান-এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফাইকা রহমান কালবেলাকে জানান, হাম রোগ একটি ভাইরাসজনিত রোগ৷ এর লক্ষণ হিসেবে জ্বর, সর্দি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে নিউমোনিয়া বা অন্যান্য জটিলতা তৈরি হতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow